টাইমলাইনভারতরাজনীতি

মোদী-উদ্ধবের বৈঠকে মহারাষ্ট্রে তুলকালাম, বাল ঠাকরের প্রতিশ্রুতি স্মরন করালেন শরদ পাওয়ার

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ মহারাষ্ট্রে উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা সরকারকে নিয়ে ফের একবার সরগরম কেন্দ্রীয় রাজনীতি। কিছুদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসেছিলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। আর তারপর থেকেই শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, শিবসেনা আগে বিজেপির সঙ্গে থাকলেও পরে তারা সমর্থন থেকে সরে দাঁড়ায় এবং শেষ পর্যন্ত কংগ্রেসের সাথে জোট বদ্ধ হয়ে মহারাষ্ট্র সরকার তৈরি করে। এরপর থেকেই বিভিন্ন প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপিকে বারবার বিঁধেছেন উদ্ধব ঠাকরে। তবে এই বৈঠকের পর অনেকেই মনে করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ব্যক্তিগত সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চাইছেন উদ্ধব যার জেরে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে সমতা বজায় থাকে।

অনেকের মত আমার সম্পূর্ণ ভিন্ন। অনেকেই বলছেন শিবসেনা আগে বৃহত্তর এনডিএ জোটের অংশ ছিল, তাই আবার বিজেপির সাথে মহাগাটবন্ধন মোটেই অসম্ভব নয়। তবে এই বিষয়ে এবার মুখ খুললেন, রাষ্ট্রবাদী কংগ্রেস পার্টির প্রধান শরদ পাওয়ার। পূর্ব কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শরদ পাওয়ারকে এতদিন খুব একটা সামনে আসতে দেখা যায়নি। কিন্তু আজ জল্পনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শিবসেনা কথা দিয়ে কখনো কথা ফেরায় না। ইন্দিরা গান্ধীর বিরুদ্ধে বাল ঠাকরে লড়াই করবেন না কথা দিয়েছিলেন। তিনি নিজের কথা রেখেছিলেন। আমি মনে করি আমাদের সরকার ৫ বছর সুচারুরূপে চলবে। এমনকি তার পরেও শিবসেনার সঙ্গে রাষ্ট্রবাদী কংগ্রেস পার্টির সুসম্পর্ক বজায় থাকবে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য গত ৭ জুন অজিত পাওয়ার এবং অশোক চৌহানের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। এদিন প্রায় ৪০ মিনিট ঐকান্তিক আলোচনা হয় তাদের। যদিও মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে জানান, মারাঠা সংরক্ষণ নিয়ে তার সঙ্গে কথা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী। তবে সমস্ত বিষয়টি খুলে বলেননি তিনি। আর তারপর থেকেই তৈরি হয় জল্পনা। অন্যদিকে শরদ পাওয়ার বালাসাহেব ঠাকরের কথা মনে করিয়ে দেওয়ায় অনেকেই মনে করছেন শিবসেনার মধ্যে একটা দোনামোনা তৈরি হলেও হতে পারে। যে কারনেই হয়তো সামনে আসতে হল শরদ পাওয়ারকে।

মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে একাধিকবার বড় ভূমিকা গ্রহণ করেছে রুদ্ধদ্বার বৈঠক গুলি ২০১৯ সালেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন শিব সেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরে। তারপর রাজ্য রাজনীতিতে যে পরিবর্তন এসেছিল তা বলাই বাহুল্য। তাই আগামী দিনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এই বৈঠক কতখানি প্রভাব ফেলবে এখন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে সকলে।

Related Articles

Back to top button