টাইমলাইনবিনোদন

মেগা অডিশন শেষ হতেই একছুটে গ্রামের বাড়িতে, বাবা-মা, স্ত্রীকে গোল্ড মেডেল পরালেন স্নিগ্ধজিৎ

বাংলাহান্ট ডেস্ক: সঙ্গীতের জাতীয় মঞ্চে বাংলার মুখ উজ্জ্বল করছেন স্নিগ্ধজিৎ ভৌমিক (snigdhajit bhowmik)। জি টিভির সা রে গা মা পা তে নিজের প্রতিভা দেখিয়ে টপ ১৬ তে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। বিচারকেরা মুগ্ধ স্নিগ্ধজিতের গান শুনে। গোল্ড ও সিলভার দুটো মেডেল জিতে নিয়েছেন তিনি। সেই মেডেলই এবার নিজের বাবা, মা ও স্ত্রীর গলায় পরিয়ে দিলেন স্নিগ্ধজিৎ।

গানের প্রতিযোগিতার মাঝে কিছুদিনের বিরতি পেয়েই নিজের গ্রামের বাড়িতে এসে পৌঁছেছেন স্নিগ্ধজিৎ। একটি ভিডিও বানিয়েছেন তিনি। সেখানেই তাঁকে বলতে শোনা যায়, বাবা মা ও স্ত্রীকে সারপ্রাইজ দিতে চলেছেন তিনি। আগে থেকে কিছুই জানাননি। গেট খুলে ছেলেকে দেখেই হাসিমুখে জড়িয়ে ধরেন স্নিগ্ধজিতের মা।


গোল্ড ও সিলভার মেডেল দুটো প্রথমে বাবা ও মাকে পরান স্নিগ্ধজিৎ। তারপর আবার মায়ের গলা থেকে খুলে স্ত্রীয়ের গলাতেও মেডেল পরিয়ে দেন তিনি। স্নিগ্ধজিৎ বলেন, বাবা মা ও স্ত্রী পাশে না থাকলে তিনি এতদূর পর্যন্ত পৌঁছাতেই পারতেন না। তাই এই মেডেলগুলো আসল অধিকার তাঁদেরই। অনুরাগীদেরও নিজের পাশে থাকার আবেদন জানিয়েছেন স্নিগ্ধজিৎ।

ভিডিওর ক‍্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘গোল্ড মেডেলটার আসল অধিকার এই তিনজনের আর তোমাদের সবার। মেগা অডিশন শেষ হতেই মুম্বই থেকে ছুটেছিলাম গ্রামের বাড়ি মা বাবার সাথে দেখা করতে, তারপর যা হল রইল তোমাদের জন‍্য, আশা করি ভাল লাগবে। সবাই অনেক আশীর্বাদ করো ভালবেসো আর এভাবেই পাশে থেকো। আর কিছু চাইনা‘‌।

২০১৯ এ বাংলা সা রে গা মা পার প্রতিযোগী হয়েছিলেন তিনি। সেবারে দ্বিতীয় স্থান দখল করেছিলেন স্নিগ্ধজিৎ। কিন্তু জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিতায় ইতিমধ‍্যেই টপ ১৬ তে জায়গা দখল করে ফেলেছেন তিনি। জি টিভির সা রে গা মা পার বাছাই পর্বেই স্নিগ্ধজিতের সুরেলা কণ্ঠে মুগ্ধ সকলে। বিচারক বিশাল ডাডলানি নিজে এসে মেডেল পরিয়ে দিয়েছেন তাঁর গলায়।

বাছাই পর্বের দ্বিতীয় রাউন্ডে বিচারক ও জুরি সদস‍্যের প্রভূত প্রশংসার পর আবেগঘন হয়ে পড়েছিলেন স্নিগ্ধজিৎ। মঞ্চে দাঁড়িয়েই চোখ ভিজে ওঠে তাঁর। এদিন মঞ্চে দাঁড়িয়ে স্ত্রী অদিতির সঙ্গে ভিডিও কলে কথাও বলেন তিনি। স্ত্রীকে মেডেল দেখান স্নিগ্ধজিৎ, অভিনন্দন জানান অদিতি। স্নিগ্ধজিৎ ছাড়াও জাতীয় মঞ্চে প্রতিযোগিতায় রয়েছেন, অনন্যা চক্রবর্তী, কিঞ্জল চট্টোপাধ্যায়, নীলাঞ্জনা রায়, দীপায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়রা।

Related Articles