টাইমলাইনভারতরাজনীতি

‘আমাকে দেশের সম্পূর্ণ কাঠামো দিন’, রাহুলের মন্তব্যে হাসির রোল! ‘ একটা নির্বাচন তো জিতুন’, দাবি নেটিজেনদের

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ গোটা দেশ জুড়ে ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি। একের পর এক প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম ক্রমশ বেড়ে চলেছে। পেট্রোল-ডিজেল এবং অপরিশোধিত তেলের দাম আকাশ ছোঁয়া। অপরদিকে আবার বেকারত্বের সমস্যা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। দেশে চাকরি নেই। সাম্প্রতিক সময়ে কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে এ সকল ইস্যুগুলিকে হাতিয়ার করেই ক্রমশ পথে নেমে চলেছে বিরোধী দলগুলি। বিশেষত, রাজধানীতে জাতীয় কংগ্রেস (Congress) দলের তরফ থেকে একের পর এক প্রতিবাদ মাঝে উত্তপ্ত দেশের রাজনীতি আর এর মাঝে এদিন কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। অবশ্য পরবর্তী ক্ষেত্রে তিনি যে ভয়ঙ্কর ট্রোলের শিকার হবেন, তা ঘুণাক্ষরেও টের পাননি কংগ্রেস নেতা।

এদিন রাহুল গান্ধী বলেন, “আজ দেশে স্বৈরাচার সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। আমরা যদি কেউ এর বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলতে যাই, তাহলে জেলে পুরে দেওয়া হচ্ছে। এমনকি সংসদেও আজকাল বিতর্ক করা যায় না। আসলে সমস্ত ক্ষমতা বর্তমানে আরএসএসের হাতে চলে গিয়েছে। আমাকে দেশের সম্পূর্ণ কাঠামো দিন, তারপর আমি সব কথা জানাবো।” যদিও এরপরে সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে কংগ্রেস নেতাকে ট্রোল করে অনেকেই।

এদিন রাহুল গান্ধী কেন্দ্র সরকারের পাশাপাশি আরএসএসকেও আক্রমণ শানান। দেশে একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠেন তিনি ।অবশ্য পরবর্তী ক্ষেত্রে তাঁর মন্তব্যের বিরুদ্ধে একের পর এক ট্রোল উড়ে আসতে থাকে। এক সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী যেমন রাহুল গান্ধীর বক্তব্যকে ‘জোক-এর-এর সঙ্গে তুলনা করেছেন, তো অপর এক ব্যক্তি লেখেন, “ভাই, প্রথমে একটা নির্বাচন তো জেতো।” একের পর এক কমেন্টে বহুল পরিমাণে ট্রোলিং করা হয় কংগ্রেস নেতাকে। এক ব্যক্তি লেখেন, “নতুন কোন স্ক্রিপ্ট রাইটার নিয়োগ কর। পুরনো কথা বলে আর কত বছর চালাবে?”

যদিও এসকল আক্রমণ মাঝেও দমতে চাননি রাহুল। সুত্রের খবর, এদিন বেলা হতেই দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি থেকে শুরু করে বেকারত্ব এবং মুদ্রাস্ফীতির বিরুদ্ধে পথে নামেন রাহুল গান্ধী সহ অন্যান্য একাধিক কংগ্রেস নেতা কর্মীরা। তাদের সেই মিছিল রাষ্ট্রপতি ভবনের দিকে যাওয়ার সময় পুলিশ বাধা দেয় এবং কিছু সময় পূর্বেই রাহুল গান্ধী, শশী থারুর সহ একাধিক কংগ্রেস কর্মীকে আটক করা হয়েছে বলে খবর। ফলে কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের প্রতিবাদ এবং অন্যদিকে আবার সোশ্যাল মিডিয়া ট্রেলিং-এর মাঝে এদিন সকাল থেকেই উত্তপ্ত রাজধানীর পরিস্থিতি। পরবর্তীতে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নতুন কোন মোড় নেয়, সেদিকে তাকিয়ে সকলে।

Related Articles

Back to top button