টাইমলাইনবিনোদনভিডিও

সেকেন্ডের মধ‍্যে ঝড়ের গতিতে ঢুকছে একের পর এক মেসেজ, সোনুর ফোনের ভিডিও ভাইরাল

বাংলাহান্ট ডেস্ক: সোনু সূদ (sonu sood), লকডাউনে এই নামটার সঙ্গে যেন নতুন করে পরিচিত হয়েছিল দেশবাসী। এমন নয় যে সোনুকে আগে কেউ চিনতেন না। অভিনেতা হিসাবে অত‍্যন্ত জনপ্রিয় না হলেও তাঁর পরিচিতির সঙ্গে ওয়াকিবহাল ছিলেন সকলেই‌। কিন্তু মহামারির সময় যেন সোনুর এক অন‍্য রূপের সঙ্গে পরিচিত হল মানুষ।

করোনা পরিস্থিতিতে লক্ষ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিককে কিভাবে নিজেদের রাজ‍্যে ফিরিয়ে আনা যায় তা নিয়ে যখন তাবড় রাজনীতিবিদদের কপালে চিন্তার ভাঁজ, সেই সময়েই ত্রাতা হিসাবে এগিয়ে আসেন সোনু। তথাকথিত প্রথম সারির তারকা না হয়েও সম্পূর্ণ নিজের উদ‍্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষকে নিজের বাড়ি পৌঁছে দিয়েছেন সোনু।


অতি সম্প্রতি করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন সোনু। আর কোভিড মুক্ত হয়েই নতুন উদ‍্যমে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন মানুষের সাহায‍্যে। অবশ‍্য করোনা আক্রান্ত হয়ে বাড়িতে আইসোলেশনে থাকার সময়েও মানুষের সাহায‍্য করার থেকে পিছু হটেননি অভিনেতা।

দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আসায় প্রতিদিনই লাফ দিয়ে দিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ‍্যা। এমন অবস্থায় সোনুর দায়িত্বও দ্বিগুণ বেড়ে গিয়েছে। প্রতিনিয়ত হাজার হাজার মেসেজ ঢুকছে অভিনেতার ফোনে। আর তা এমনি দ্রুত যে না দেখলে বিশ্বাস করা যাবে না।

সোনুর ফোনের একটি ভিডিও সোশ‍্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে সম্প্রতি। সেখানে দেখা যাচ্ছে সেকেন্ডের মধ‍্যে একের পর এক মেসেজ ঢুকছে তাঁর ফোনে। মেসেজের লাইন দেখে রীতিমতো চোখ ছানাবড়া নেটজনতার। এত মেসেজ পড়তে গেলেই তো একটা পুরো দিন লেগে যাবে, সাহায‍্য তো দূরের কথা।

কিন্তু এই পরিস্থিতিতেও দমেননি সোনু। প্রতিদিন হাজার হাজার মেসেজ দেখে তাদের সাধ‍্য মতো সাহায‍্যও করছেন। এসব দেখে নেটিজেনরা কুর্নিশ জানাচ্ছেন সোনুকে। সম্প্রতি দেশের মানুষের উদ্দেশে একটি বার্তা দিয়েছেন সোনু।

নিজের টুইটার হ‍্যান্ডেলে অভিনেতা লিখেছেন, ‘১৫ আগস্ট যারা দেশভক্তি দেখায় তাদের জন‍্য বার্তা: দেশের জন‍্য কিছু করার ও দেশভক্তি দেখানোর এর থেকে দরকারি সময় আর আসবে না।’ স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ যখন আছড়ে পড়েছে দেশের এই জরুরি সময়ে দেশবাসীকে একে অপরের সাহায‍্যে এগিয়ে আসার আবেদন জানিয়েছেন সোনু।

এর আগে অভিনেতার একটি টুইটে কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছিল সকলের। করোনা আক্রান্ত হয়ে আইসোলেশনে ছিলেন সোনু। কিন্তু সাহায‍্য করা বন্ধ করেননি তিনি। অভিনেতা একটি টুইটে লিখেছিলেন, হাসপাতালে ৫৭০ টি বেড প্রয়োজন ছিল। কিন্তু তিনি জোগাড় করতে পেরেছিলেন ১১২টি।

অপরদিকে ১৪৭৭ রেমডেসিভিরের জায়গায় ভাত্র ১৮টির জোগান দিতে পেরেছিলেন সোনু। তবে তারপরেই একটি টুইটে অভিনেতা লেখেন, তিনি কখনো জেতেন আবার কখনো হারেন। কিন্তু তিনি তাঁর সর্বস্ব দিয়ে চেষ্টা করছেন।

Back to top button