টাইমলাইনবিনোদন

এখনকার অভিনেত্রীদের মুখ দেখলে অন্তর থেকে ভক্তি জাগে না, মহালয়ার ট্রোল নিয়ে বললেন শ্রীলেখা

বাংলাহান্ট ডেস্ক: মহালয়া (Mahalaya) মানেই বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে ‘মহিষাসুরমর্দিনী’র চণ্ডীপাঠ এবং টেলিভিশনে মহালয়ার অনুষ্ঠান। ছোটপর্দায় মহালয়া উপলক্ষে অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে বহুদিন। দূরদর্শন থেকে উৎপত্তি হয়ে এখন চ‍্যানেল যত বাড়ছে অনুষ্ঠানও তত বাড়ছে। সঙ্গে বাড়ছে জাঁকজমক ও অতি নাটকীয়তা। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সমালোচনাও।

বেশ কয়েক বছর ধরেই বিভিন্ন চ‍্যানেলের মহালয়ার অনুষ্ঠান নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করতে দেখা যাচ্ছে দর্শকদের। সেই সঙ্গে চলছে আগেকার সময় ও এখনকার সময়ের মধ‍্যে তুলমূল‍্য বিচারও। এই বিতর্কে আগেকার দিনের হয়েই কথা বলেছেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র (Sreelekha Mitra)। এখনকার সময়ের অনুষ্টানগুলিতে একটা জিনিসের বড় অভাব, সাধারণত্ব।


আগে একটাই মাত্র বাংলা চ‍্যানেল ছিল বিনোদনের জন‍্য। সেখানেই হত মহালয়ার অনুষ্ঠান, মহিষাসুরমর্দিনী। বাহারি মেকআপ, অতিরিক্ত নাচগান, লম্ফঝম্প কিছুই ছিল না। VFX তো দূরঅস্ত। তবুও সেই অনুষ্ঠান দর্শকদের হৃদয়কে স্পর্শ করতে পেরেছিল। কিন্তু এখনকার সময়ের অনুষ্ঠানে সবেরই বাহুল‍্য রয়েছে, নেই শুধু ‘সিম্পলিসিটি’।

দূরদর্শনের মহালয়ার অনুষ্ঠানের একটি ইউটিউড ভিডিওর লিঙ্ক শেয়ার করে শ্রীলেখা লিখেছেন, ‘মা দূর্গা সাজতে গেলে ডিজাইনার শাড়ি, গয়না লাগে না আর স্পেশ‍্যাল এফেক্টস দিয়ে ‘খামতি’ গুলো পূরণ করা যায় না। চ‍্যানেল এবং বাকিরা বুঝবেন কবে? আমাদের ছোটবেলার মা দূর্গা সেজেছিলেন সংযুক্তা বন্দ‍্যোপাধ‍্যায় দূরদর্শনে। তাঁকে মানাত, তাঁর মুখের শ্রী ছিল মায়ের মতো। আপনাদের সেটা নেই।’


সঙ্গে শ্রীলেখা আরো লিখেছেন, ‘দোষ আপনাদের নয়, সিস্টেমের। রাজনৈতিক এবং ক্ষমতার। আবার ভাববেন না দয়া করে আমাকে কোনোদিন মা দূর্গা হতে দেখেননি বলে আমি হিংসেতে বলছি আর ভাবলেও কী বা যায় আসে আমার আপনার বলুন? সাধারণত্বেরই সবসময় জয়জয়কার হয় এটা বুঝলে আমার ১৪ পুরুষের ভাগ‍্য।’


শ্রীলেখার মতে, আগেকার সময়ে সবকিছুই খুব সাধারণ ছিল। মহালয়াও তাই সাধারণ হত। এখন অনেক জাঁকজমক দিয়ে হয় সবকিছু। কিন্তু অন্তরের যে সৌন্দর্য্য সেটাই তো থাকে না। এখনকার অভিনেত্রীদের মুখ দেখলে অন্তর থেকে ভক্তিভাব জাগে না, সংবাদ মাধ‍্যমকে বলেন শ্রীলেখা।

Related Articles