টাইমলাইনরাজনীতিআন্তর্জাতিক

সেনা বানানোর ঘোষণা, দেশ দখলের পর যেই সিন্ধান্ত গুলি নিলো তালিবানরা

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ হাতির দু’রকমের দাঁত, খাওয়ার জন্য আলাদা আর দেখানোর জন্য আলাদা, এই প্রবাদ বাক্য সকলেই শুনে এসেছেন বারবার। বর্তমানে এই প্রবাদবাক্য লাগু হতে পারে আফগানিস্তানের তালিবান সরকারের ক্ষেত্রেও। কার্যত মুখে শান্তির বাণী প্রচার করে চলেছেন তারা। বলা হচ্ছে তালিবানরা বদলে গিয়েছে। তালিবানের মুখ্য প্রবক্তারাও বলছেন, আমরা কারও বিরুদ্ধে নই, তাই আমরা সকলকে ক্ষমা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা চাই সকলেই তালিবান সরকারকে এগিয়ে চলতে সাহায্য করুন।

আর অন্যদিকে উঠে আসছে একের পর এক হিংসার ছবি। এমনকি কাবুল এয়ারপোর্টে লাগাতার পলায়ন রুখতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে তালিবানরা। যেভাবে একের পর এক মর্মান্তিক ভিডিও সামনে আসছে, তাতেই বোঝা যায় মানুষের উপর কিভাবে চলছে অত্যাচার। বিশেষত মহিলাদের পরিস্থিতি আজ রীতিমত ভয়ঙ্কর। একদিকে যখন মুখে বলা হচ্ছে, মহিলাদের পড়াশোনায় কোন বাধা দেওয়া হবে না। তখনই অন্যদিকে তালিবানরা স্পষ্ট জানিয়েছে, লাগু হবে শরীয়ত আইন।

এই শরীয়ত আইনে মহিলাদের স্বাধীনতা যে কতটা কম তা বলাই বাহুল্য। আগেই দেখা গিয়েছিল, মহিলাদের বোরখা পড়তে হত সব সময়। পুরুষ সঙ্গী ছাড়া বাইরে বেরোনো ছিল নিষেধ। এছাড়া পড়াশোনা এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও লাগাতার বিধি-নিষেধ। সেই দুঃস্বপ্নের দিনই কি আবার ফিরতে চলেছে আপগানিস্তানে? অন্তত এমনটাই আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

এমনকি আফগানিস্তানের নামবদলের জন্যও সক্রিয় তালিবানি নেতারা। তাদের মতে এবার থেকে নাম হবে “ইসলাম এমিরেটস অফ আফগানিস্তান”। একদিকে যখন শান্তির বার্তা প্রচারে রত বর্তমান তালিবান সরকার, তখনই অন্যদিকে চলছে বন্দুকের নলের ক্ষমতা প্রদর্শন। তালিবানিদের অত্যাচার থেকে বাঁচতে বাচ্চাদের সামনে এগিয়ে দিচ্ছেন অভিভাবকরা, এমন ভিডিও ভাইরাল হচ্ছে বারবার। এখন প্রশ্ন হলো একটাই, যে সিনেমার ট্রেলার এতোখানি ভয়ঙ্কর তা শান্তি এবং সাম্যের বার্তা দেবে এমনটা কি মেনে নেওয়া যায়?

 

Related Articles