টাইমলাইনপশ্চিমবঙ্গ

যেই স্কুলে চাকরি করতেন অনুব্রত কন্যা, সেই স্কুলেরই শিক্ষক চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন সুকন্যাকে নিয়ে

বাংলাহান্ট ডেস্ক : অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেফতারের পর তার কন্যা সুকন্যা মণ্ডলকে নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। অনুব্রত মণ্ডলের বিপুল সম্পত্তি সন্ধান পাওয়ার পর এখন সিবিআই এর আতস কাঁচের নিচে অনুব্রত কন্যা সুকন্যা মন্ডলের শিক্ষিকা পদে চাকরি। সম্প্রতি অনুব্রত মণ্ডলের গ্রেফতারের পর সুকন্যার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, সরকারি স্কুলের শিক্ষিকা হওয়া সত্ত্বেও তিনি স্কুলেই যেতেন না।

পাশাপাশি আরও অভিযোগ তার বাড়িতে হাজিরার খাতা এনে সই করিয়ে নিয়ে যেতেন স্কুলেরই এক কর্মী। এই বিতর্কের মাঝেই নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সুকন্যার বোলপুরের প্রাথমিক স্কুলের এক শিক্ষক চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন। তার দাবি, সুকন্যা স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে খুবই জনপ্রিয়। তিনি যদি স্কুলেই না আসতেন তাহলে এত জনপ্রিয় হতেন কি করে! সেই শিক্ষকের আরও দাবি সুকন্যা নিয়মিত স্কুলে পড়াতে আসতেন এবং নিজেই রেজিস্টার্ড খাতায় সই করতেন।

গরু পাচার মামলায় অভিযুক্ত বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের একমাত্র কন্যা সুকন্যা মন্ডল। অনুব্রতর স্ত্রী মারা যাওয়ার পর তিনি অনেকাংশেই নির্ভর হয়ে পড়েন সুকন্যার উপর। অন্যদিকে সুকন্যা পাড়ার মানুষজনের কাছে খুবই হাসিখুশি ও মিষ্টি স্বভাবের মেয়ে হিসেবেই পরিচিত। কিন্তু জানা যায় মা মারা যাওয়ার পর সুকন্যাও চুপচাপ হয়ে গিয়েছিলেন।

২০১৬ সালে বোলপুরের কালিকাপুর প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষিকা পদে যোগদান করেন সুকন্যা। বর্তমানে মামলাকারীদের অভিযোগ টেট উত্তীর্ণ না হয়েই শিক্ষিকার চাকরি পেয়ে গেছেন অনুব্রত কন্যা সুকন্যা। কলকাতা হাইকোর্ট এই বিষয়ে বৃহস্পতিবার সুকন্যা মণ্ডল সহ অনুব্রতর আরো কিছু ঘনিষ্ঠকে কোর্টে তলব করেছেন। অভিযোগ সুমিত মণ্ডল, অর্ক দত্ত, সাত্যকি মণ্ডল, কস্তুরী চৌধুরী, সুজিত বাগদি নামক ঘনিষ্ঠরা অসৎ উপায় চাকরি পেয়েছেন।

Related Articles