এবার ভয়ে কাঁপবে র‍্যাগিং দানবরা! যাদবপুর কাণ্ডে বড়সড় পদক্ষেপ শুভেন্দুর, তুঙ্গে শোরগোল

বাংলা হান্ট ডেস্ক : ফের সংবাদ শিরোনামে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র মৃত্যুর ঘটনায় (Jadavpur student death case) আদালতের দ্বারস্থ হলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। একাধিক দাবি রয়েছে তাঁর। সেই সমস্ত দাবি নিয়েই এদিন আদালতে হাজির হন শুভেন্দু। একদিন আগেই যাদবপুর নিয়ে বাংলা পক্ষের সঙ্গে ঝামেলায় জড়ান। আর তার পরই এদিন আদালতে দৌড়লেন শুভেন্দু।

কী কী দাবি তাঁর? যে দাবিগুলি নিয়ে শুভেন্দু আদালতে হাজির হন সেগুলি হল ছাত্র মৃত্যুর ঘটনায় ইউএপিএ (UAPA) ধারা যুক্ত করা, অবিলম্বে এনআইএ তদন্ত (NIA investigation,) এবং ক্যাম্পাসে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চে জনস্বার্থ মামলার আবেদনও করেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। মামলার অনুমতি দিয়েছেন প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। চলতি সপ্তাহে শুনানির সম্ভাবনা।

suvendu

কী বলেন বিরোধী দলনেতার আইনজীবী? শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) আইনজীবীর বক্তব্য, ‘ইউএপিএ আইন অনুযায়ী, মাওবাদী সংগঠন নিষিদ্ধ। তা সত্ত্বেও যাদবপুরের মতো প্রতিষ্ঠানে এই অতিবাম সংগঠনগুলো (mao link) কীভাবে সক্রিয় থাকতে পারে? তাই ছাত্র খুনের ঘটনায় ইউএপিএ (UAPA) ধারা যুক্ত করে এনআইএ তদন্ত হওয়া জরুরি।’

যাদবপুরে রয়েছে মাও-যোগ দাবি শুভেন্দুর : পড়ুয়াদের নিরাপত্তার স্বার্থে ক্যাম্পাসে সেন্ট্রাল ফোর্স মোতায়েনের দাবিও জানিয়েছেন শুভেন্দুর আইনজীবী। এদিন আদালতে দায়ের করা জনস্বার্থ মামলার আবেদনে বিরোধী দলনেতার আইনজীবী জানান, ‘২০২২ সালে নদিয়া জেলা থেকে কিছু মাওবাদী গ্রেফতার হয়েছিলেন। তাঁরা যাদবপুরের ছাত্র ছিলেন। যে ছাত্রটির মৃত্যু হয়েছে তারও বাড়ি নদিয়ায়। ছেলেটি কিছু জানতে পেরেছিল বলেই তাকে হত্যা করা হল কী না, সেটা জানা জরুরি। যেহেতু যাদবপুরে মাওবাদীদের মতো নিষিদ্ধ সংগঠন সক্রিয় তাই জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এনআইএ তদন্ত চাইছি।’

আরও পড়ুন : শঠে শাঠ্যং! নেহেরুর পাল্টা অটল, জনপ্রিয় পার্ক থেকে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর পরিচয় মুছল নীতিশ সরকার

শুভেন্দুর সভায় চলে ধুন্ধুমার কাণ্ড : গত ৯ অগস্ট যাদবপুরে ছাত্র মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। তার প্রতিবাদে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে যাদবপুর এইট-বি বাসস্ট্যান্ডের কাছে বিজেপি যুব মোর্চার প্রতিবাদ সভায় হাজির হয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। অভিযোগ, শুভেন্দুর বক্তব্য রাখার সময়ে কালো পতাকা দেখানো হয় অতি-বাম ছাত্র সংগঠনের তরফে। এমনকী শুভেন্দু স্টেজ থেকে নামার সময় তাঁকে আক্রমণ করা হয় বলেও অভিযোগ।