টাইমলাইনপশ্চিমবঙ্গ

টার্গেট বাংলার যুবসমাজ, নতুন কর্মসুচিকে জোর দিতে ভার্চুয়াল মিটিং সারলেন অভিষেক ব্যানার্জী

বাংলাহান্ট ডেস্কঃ শনিবার সকাল ১১টায় ফেসবুক লাইভে বাংলার যুবশক্তি কর্মসূচীর সঙ্গে কর্মীদের বার্তা দিতে উপস্থিত হন তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভাপতি অভিষেক ব্যানার্জী (Abhishek Banerjee)। লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লক্ষ। কিন্তু কর্মসূচি ঘোষণার একমাসের সামান্য বেশি সময়ে রাজ্যজুড়ে আগ্রহীর সংখ্যা ছাপিয়ে গেল ৫ লক্ষের গণ্ডি। গত মাসের ১১ তারিখ বাংলার যুবশক্তি কর্মসূচির সূচনা করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জী ।

ফেসবুক লাইভে এসে অভিষেক জানান, রাজ্যের প্রায় সাড়ে ৫ লাখ যুবক-যুবতী তৃণমূল যুবশক্তির সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। তাঁর কথায়, ‘সব জায়গা থেকে মানুষ যুবশক্তির সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন।’

তিনি আরও বললেন, প্রত্যাশা ছাপিয়ে যুবক-যুবতীদের অংশগ্রহণে তাঁরা অভিভূত। এই কাজে যোগ্যদের স্বীকৃতি দিতে প্রয়োজনে নিজের পদ ছাড়তেও দ্বিধা করবেন না, জানিয়ে দিলেন অভিষেক। দিলেন পরবর্তী পর্যায়ের রূপরেখা।

আমফান ও করোনা, জোড়া বিপর্যয়ের বিরুদ্ধে লড়ছে বাংলা। এই অবস্থায় গত ১১ জুন বাংলার যুবশক্তি কর্মসূচির ঢাকে কাঠি পড়ে। যুব তৃণমূল সভাপতি অভিষেক ব্যানার্জী সেদিন জানিয়েছিলেন, রাজনৈতিক দল মত নির্বিশেষে তরুণ প্রজন্মকে বাংলার মাটির স্বার্থে কাজে নামতে হবে।

ডাক দিয়েছিলেন বাংলার যুবশক্তি ক্যাম্পেনে যোগ দেওয়ার। তারপর কেটে গিয়েছে এক মাসের সামান্য বেশি সময়। তার মধ্যে বিপুল সাড়া পেল অভিষেকের বাংলার যুবশক্তি কর্মসূচি।

তিনি আরও বলেন, ১ লক্ষের লক্ষমাত্রা ছাপিয়ে এখন সাড়ে ৫ লক্ষ যুবক-যুবতী যুবযোদ্ধা হতে চেয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। সাফল্যের বিচারে যা অভূতপূর্ব। এবার পরবর্তী লক্ষ্য, পথে নেমে মানুষের পাশে দাঁড়ানো।

কীভাবে কাজ করবেন বাংলার যুবযোদ্ধারা? তারও দিশানির্দেশ দিয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। প্রত্যেক যুবযোদ্ধাকে এলাকার ১০ টি বাড়ি চিহ্নিত করতে হবে। আগামী দিনে সেই ১০ টি পরিবারের সমস্ত বিপদ আপদে পাশে থাকতে হবে যুবযোদ্ধাকে।

সম্প্রতি সুব্রত বক্সী ও পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে পাশে নিয়ে ‘বাংলার যুব শক্তি’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল, শহিদ দিবসের আগে রাজ্যজুড়ে লক্ষাধিক সদস্য গড়ে তোলা। ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী যুবক-যুবতীদেরই বেছে নেওয়া হয়েছে এই নতুন কর্মসূচির জন্য।

পাশাপাশি অভিষেক ব্যানার্জী বলেন, বাংলা যেমন নবজাগরণ ও স্বাধীনতা আন্দোলনে দেশকে পথ দেখিয়েছে, তেমনই লক্ষ্যে অবিচল থাকলে এবারও বাংলার জয় অবশ্যম্ভাবী। কোনও অশুভ শক্তি বা করোনা বাংলার মাথা নত করতে পারবে না।

Back to top button