টাইমলাইনভারত

চীনকে ভাতে মারার কৌশল মোদি সরকারের! সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের বদলে অ্যাপ স্ট্রাইক, প্লে স্টোর থেকে উধাও টিকটক সহ একাধিক চিনা অ্যাপ

 

বাংলা হান্ট ডেস্ক : সীমান্তে উত্তেজনার মধ্যেই চীনকে ডিজিটাল প্রত্যাঘাত ভারতের। গতকাল টিকটক, শেয়ারইট, ইউসি ব্রাউজার, জেন্ডার এর মতন 59 টি জনপ্রিয় চীনা অ্যাপকে ভারতের নিষিদ্ধ বলে ঘোষণা করে মোদি সরকার।

গতকাল চিনা অ্যাপে নিষেধাজ্ঞার বিজ্ঞপ্তি জারি করে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক। তথ্যপ্রযুক্তি আইনের 69 ধারা ব্যবহার করে এই অ্যাপ গুলিতে নিষিদ্ধ করা হয় এবং সরকারের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয় যাতে বলা হয়েছে, দেশের সার্বভৌমত্ব ও সুরক্ষার প্রশ্নে বিপদজনক এই চিনা অ্যাপগুলি। লাদাখ সীমান্তে ভারত-চীন উত্তেজনার মাঝে ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্ত চীনের কাছে কড়া বার্তা পৌঁছে দেবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞমহল।

লাদাখ সীমান্তে 20 জন ভারতীয় সেনা শহীদ হওয়ার পরেই দেশজুড়ে চীনা সামগ্রি ও চীনা অ্যাপ বয়কটের ডাক ওঠে। অন্যদিকে অনেকেরই মত ছিল, ‘যদি সরকারের তরফে নিষিদ্ধ না করা হয় তাহলে কিছু মানুষ কোনদিনও শুনবে না।’ তাই ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্তে খুশি ভারতের বেশিরভাগ নাগরিক।

অন্যদিকে, গতকাল কেন্দ্রের তরফে 59 টি চিনা অ্যাপকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার পর টিকটক স্টারেরা বলেন,’ কোন সমস্যা হয়নি টিকটকে। আগের মতই কাজ করছে প্রত্যেকটি অ্যাপ।” তাই অন্যবারের মতন এই খবর টিকেও গুজব হিসেবে নিয়েছিলেন টিকটক লাভার্সরা। তবে গতকালের সিদ্ধান্ত একেবারেই গুজব ছিল না।

আজ সকাল থেকেই প্লে স্টোর থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে টিকটক। অ্যাপ স্টোর থেকেও আর এই অ্যাপ ডাউনলোড করা যাবে না। অ্যাপেল স্টোর সহ অন্যান্য জায়গা থেকেও এই 59 টি চিনা অ্যাপ যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সরিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

জানা যাচ্ছে, যাদের ফোনে এখনো পর্যন্ত টিকটক ইনস্টল আছে সেটাও কয়েকদিন পর থেকে আর কাজ করবে না।এরপর ভারতের টিকটক ব্যবহারকারীরা লগইন করতে গেলেই ‘সরকারি নিষেধাজ্ঞার কারণে এই অ্যাপ বন্ধ ‘এমন নোটিফিকেশন পড়বে স্ক্রিনের উপর।

Back to top button