টাইমলাইনপশ্চিমবঙ্গরাজনীতি

সাড়ে ১৪ লক্ষ দিয়েও মেলেনি চাকরি! তৃণমূল নেতার টাকা খেয়ে পেট ভরালেন আরেক তৃণমূল নেতা

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বর্তমানে বাংলায় স্কুল সার্ভিস কমিশন থেকে শুরু করে প্রাইমারি টেট দুর্নীতি মামলায় বেআইনি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে তৃণমূল কংগ্রেসের। আর এবার চাকরির নামে দলের নেতার বিরুদ্ধেই প্রতারণার অভিযোগ জানালেন খোদ তৃণমূল নেতা। চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে প্রায় সাড়ে চোদ্দ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ উঠল এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

ঘটনার কেন্দ্রস্থল মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর থানার সাদলিচক গ্রাম পঞ্চায়েত। উক্ত পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য আরজাউল হকের সঙ্গে এই প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে বলে খবর। ইতিমধ্যে মহিদুর রহমান ওরফে বাদলের বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে গোটা এলাকায়।

গোটা ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা বলেন, “অভিযুক্ত মহিদুর রহমান সুলতাননগরের বাসিন্দা। 2019 সালে উচ্চ প্রাথমিকে শিক্ষকতার চাকরি করিয়ে দেওয়ার জন্য আমার থেকে টাকা নেয়। ও বলেছিল চাকরি পাইয়ে দেব। কিন্তু প্রায় সাড়ে 14 লক্ষ টাকা দিয়েও এখনো পর্যন্ত চাকরি পাওয়া যায়নি। তাই কয়েকদিন পূর্বে আমি টাকা ফেরত চেয়ে ফোন করি কিন্তু উল্টে ও আমায় হুমকি দেয়। আর এখন তো ফোনে পর্যন্ত পাওয়া যাচ্ছে না।” এরপরেই আরজাউল হকের দাবি, “অভিযুক্ত মহিদুর তৃণমূলের নেতা।”

তাঁর এই অভিযোগকে হাতিয়ার করে শাসক দলের বিরুদ্ধে সমালোচনার সরব হয়েছে বিজেপি। এদিন বিজেপি নেতা অম্লান ভাদুরি বলেন, “বর্তমানে বাদল নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে টাকা হাতানোর অভিযোগ উঠেছে। ও আসলে তৃণমূল কর্মী। এটাই বর্তমানে তৃণমূলের প্রধান সংস্কৃতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই দুর্নীতি থেকে তৃণমূলের অন্দরের লোকেরাও বাদ যাচ্ছে না।” এক্ষেত্রে অবশ্য তৃণমূল শিবিরের দাবি, “কেউ এই দুর্নীতিতে যুক্ত থাকলে তাঁকে দল ছেড়ে দেবে না। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

Related Articles

Back to top button