fbpx
টাইমলাইনভারত

একা হয়ে গেলো ভূমাফিয়া চীন! ভারতের পাশে দাঁড়াল বিশ্বের মহাশক্তিধর দেশগুলো

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ চীন (China) ভারতের (India) সাথে বিবাদ বাড়িয়ে তো নিয়েছে, কিন্তু এবার গোটা বিশ্বের সামনে তাঁরা বিক্ষোভের মুখে পড়ছে। বিশ্বের মহাশক্তিধর (Super Power) দেশগুলো সোজাসুজি ভারতের সমর্থন করছে। গালওয়ান উপত্যকায় ভারত আর চীনের মধ্যে চলা বিবাদের পর মহাশক্তিধর দেশ গুলো ভারতের পাশে দাঁড়ায় আর চীনের বিরুদ্ধে উস্কানির অভিযোগ তোলে। ভারত বিশ্বের মহাশক্তিধর দেশ গুলোর সমর্থন জুটিয়ে নিয়েছে দেখে, এবার ভয়ে কাঁপছে চীন।

চীনকে উচিৎ শিক্ষা দিতে ফ্রান্স ভারতে জুলাই মাসের মধ্যে রাফাল বিমান পাঠাবে বলে জানিয়ে দিয়েছে। ফ্রান্সের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংকে চিঠি লিখে জানান, ফ্রান্সের সেনা ভারতীয় সেনার বলিদানি জওয়ানদের পরিবার আর ভারতের পাশে আছে। চীনের সাথে চলা এই উত্তেজনার মাঝে ফ্রান্সের এই বয়ান অনেক গুরুত্বপূর্ণ বলেই মানা হচ্ছে।

বিশ্বের সবথেকে বিপদজনক লড়াকু বিমান রাফাল ভারত আর ফ্রান্সের মধ্যে রাজনৈতিক চুক্তির সবথেকে বড় উদাহরণ। কিন্তু ভারত আর ফ্রান্সের বন্ধুত্ব এই রাজনৈতিক চুক্তির থেকেও অনেক বেশি। চীনের সাথে চলা বিবাদের মধ্যে ফ্রান্স থেকে আসা একটি খবর চীনকে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে যে, ফ্রান্স এই সময়ে ভারত এবং ভারতীয় সেনার পাশে আছে। ফ্রান্সের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী গালওয়ান উপত্যকায় বলিদান দেওয়া ভারতীয় সেনার জওয়ানদের শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়েছেন।

ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংকে লেখা একটি চিঠিতে ফ্রান্সের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বলেন, এই খবর জওয়ান, তাদের পরিবার এবং গোটা ভারতের কাছে শোকের খবর। এই দুঃসময়ে আমরা বন্ধু ভারতের প্রতি ফ্রান্সের সেনার তরফ থেকে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছি। আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমার শ্রদ্ধাঞ্জলি সমস্ত ভারতীয় সেনা, বলিদানি জওয়ান আর ওনাদের পরিবারের কাছে পাঠিয়ে দিন।

ভারত আর আমেরিকার মধ্যে বন্ধুত্ব যতটা মজবুত হচ্ছে। চীন আর আমেরিকার মধ্যে সম্পর্ক ততটাই খারাপ হচ্ছে। বিশ্বের মহাশক্তিধর দেশ গুলোর মধ্যে আমেরিকার নামও আছে, যারা গালওয়ান উপত্যকায় হওয়া ঘটনা নিয়ে সমবেদনা প্রকাশ করেছিল। এছাড়াও আমেরিকা চীনের এই সাম্রাজ্যবাদী নীতি দমন করতে ভারত সমেত গোটা এশিয়ায় আমেরিকার সেনা মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমেরিকার এই সিদ্ধান্তের পর চীন যে বড়সড় ঝটকা খেয়েছে সেটা বলাই বাহুল্য।

আরেকদিকে, জাপান এবং রাশিয়ার মতো দেশগুলোও ভারতের সমর্থনে নেমেছে। চীন রাশিয়াকে বলেছিল তাঁরা যেন ভারতের হাতে এই মুহূর্তে কোন অস্ত্র না তুলে দেয়। কিন্তু পুতিনের দেশ চীনের কথা না শুনে ভারতের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এমনকি সংযুক্ত রাষ্ট্রের সুরক্ষা পরিষদে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধির জন্য ওকালতিও করেছে রাশিয়া। এখানেও বড়সড় ঝটকা খেয়েছে চীন।

চীনের আশেপাশে থাকা দেশ গুলোর থেকে এতদিন ধরে চীন জমি কেড়ে এসেছিল। কিন্তু প্রতিবাদ করতে গেলেই লাল চোখ দেখাত চীন। আর শক্তিধর চীনের সামনে সেই সমস্ত দেশ গুলো তেমন কিছুই করতে পারত না। কিন্তু এবার চীনের প্রতিপক্ষ অন্য কোন দেশ না। এবার ড্রাগনের সামনে ভারত। আর ২০২০ এর নতুন ভারত কাউকে উসকানি দেয়না, কিন্তু কেউ উসকানি দিলে তাঁকে ছাড়েও না।

Back to top button
Close
Close