টাইমলাইনভিডিওখেলাআন্তর্জাতিক

পাকিস্তানের জার্সি পরে বাবরদের সমর্থন, নর্দমায় নামিয়ে শাস্তি বাংলাদেশি ক্রিকেট প্রেমীকে

বাংলা হান্ট নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের অনুশীলনে তাদের দেশের পতাকা উড়ানোর পর থেকেই পাকিস্তানের বাংলাদেশ সফরকে নিয়ে একটা চাপা উত্তেজনার আঁচ টের পাচ্ছে সেই দেশের মানুষ। একাধিকবার বাংলাদেশের কোনও সমর্থকরা পাকিস্তানকে ভালোবাসা জানালে অন্যান্য বাংলাদেশ সমর্থকদের সাথে নিয়ে ঝামেলা বাঁধছে। নিজ দেশের খেলায় নিজ দেশকে সমর্থন না দিয়ে অন্য দেশের প্রতি আবেগ দেখানোর তীব্র সমালোচনা করছে এক শ্রেণির বাংলাদেশ সমর্থক। কিছু নিরপেক্ষ মানুষ অবশ্য যারা এই ধরনের কাজ করেছেন তাদের দেশপ্রেম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। আজ আবার ঘটেছে সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি।

চট্টগ্রামে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের প্রথম দিনে এক বাংলাদেশী পাকিস্তান সমর্থক পাকিস্তানের জার্সি গায়ে খেলা দেখতে আসলে ক্ষোভে ফেটে পড়ে জনতার একটি অংশ। তারপর তাকে তাড়া করে নিকটবর্তী নর্দমায় ফেলে দেওয়া হয়। প্রথমে অবশ্য পাকিস্তানের জার্সি পরিহিত ওই সমর্থকের ওপর চড়াও হয়েছিলেন কিছু কট্টর বাংলাদেশ প্রেমী। সেই যুবক কেন পাকিস্তানের জার্সি পরে এসেছেন সেই প্রশ্ন করা হয় তাকে। এরপর ওই সমর্থকের জার্সি খুলে নেওয়া হয়। নর্দমায় আটকে সেই সমর্থক আর কোনওদিন পাকিস্তানি জার্সি পরবেন না বলে ক্ষমা চাইতে থাকলে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

সেই কট্টর বাংলাদেশ প্রেমীরা পরবর্তীকালে জানিয়েছেন কোনো নাগরিক পাকিস্তানের জার্সি গায়ে চাপালে তাকে বাংলাদেশের কোনও স্টেডিয়ামে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। তারা সকাল থেকে মাঠের প্রবেশপথে নজরদারি চালান। অবশ্য পাকিস্তানের অধিবাসীদের নিয়ে কোনও অসুবিধা নেই তাদের। কারণ তারা নিজের দেশের খেলা দেখতে এসেছেন। কিন্তু বাংলাদেশের অধিবাসী হয়ে পাকিস্তানকে সাপোর্ট করা যাবে না বলে জানিয়েছেন তারা।

সেই উগ্র সমর্থকরা আরও বলেন, “দেশের কোনো মানুষ পাকিস্তানের জার্সি গায়ে চাপিয়েছে কিংবা পতাকা উড়িয়েছে মানে হলো সে রাজাকারের বংশধর। সে দেশদ্রোহী। সকলেরই মনে আছে একাত্তর সালে শুধু বাঙালি হওয়ার অপরাধে এবং ‘জয় বাংলা’ বলার অপরাধে, স্বাধীনতার পক্ষে থাকার জন্য যারা গণহত্যা চালিয়েছিল- তাদের সমর্থন করা যায় না। কেউ সমর্থন করলে তারাও বাংলাদেশী নন।”

Related Articles

Back to top button