টাইমলাইনভাইরালভিডিও

মাঝ নদীতে গভীর জলের উপরে দিব্বি দৌড়ে চলেছে হরিণ, ভাইরাল ভিডিও দেখে তাজ্জব গোটা বিশ্ব

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ জলের উপর দিয়ে খেয়াল খুশি মতো দৌড়ে চলেছে হরিণ। ভাইরাল ভিডিও (Viral Video) দেখে গোটা বিশ্ব তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। জলের উপর দিয়ে এরকম ভাবে দৌড়ে অথবা হেঁটে যাওয়া আদৌ কি সম্ভব? সেটা নিয়েই এখন চলছে গবেষণা। তবে ভাইরাল এই ভিডিও (Video) যে কোটি কোটি মানুষের নজর কেড়েছে সেটা বলাই বাহুল্য। অনেকের মতেই এরকম ভিডিও এখনো পর্যন্ত কোনওদিন তাঁরা দেখেনি।

দশ সেকেন্ডের এই ভাইরাল ভিডিও দেখা যাচ্ছে যে, আমেরিকার এক বিশেষ প্রজাতির হরিণ (moose) অবাধে নিজের খেয়াল খুশিত মতো নদীর জলে দৌড়ে চলেছে। তাঁর পাশ দিয়েই একটি স্পীড বোট যাচ্ছে, আর সেই স্পীড বোটের সাথে গতিতেও পাল্লা দিয়েছে ওই হরিণ। প্রথমে স্পীড বোটটির ডানদিকে ছিল হরিণটি, এরপর স্পীড বোটটিকে ওভারটেক করে বাঁ দিকে চলে যায় হরিণটি। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভাইরাল ভিডিও দেখে ঘুম উড়েছে সবার।

https://twitter.com/backt0nature/status/1309328772794134531

ইন্টারনেটে ভাইরাল (Viral) একটি ভিডিওতে (Viral Video) একজন বাইকার স্বতঃস্ফূর্ততা দেখিয়ে একটি শিশুর জীবন বাঁচায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) এই ভিডিও ঝড়ের গতিতে ভাইরাল হচ্ছে। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে যে এক বাইকার তাঁর চলন্ত বাইক থেকে বিদ্যুতের গতিতে নেমে একটি শিশুর জীবন বাঁচাচ্ছে।। ভিডিওটির ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর ওই বাইকারকে অনেকেই সুপারম্যান বলে অভিহিত করছেন।

২৫ সেকেন্ডের ওই সংক্ষিপ্ত ভিডিও ক্লিপে দেখা যাচ্ছে যে, একজন ব্যাক্তি বাইকে করে রাস্তা দিয়ে যাচ্ছেন। তখনই তিনি সামনে একটি বাচ্চাকে বাচ্চাদের গাড়ি সমেত দ্রুত গতিতে পিছলে রাস্তার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যেতে দেখেন। বাচ্চার মাকেও ভিডিওটিতে দেখা যায়। তবে বাচ্চার মা এরকম অবস্থায় অসহায় হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

এরপরই বাইক সওয়ার কোনমতে তাঁর বাইকটিকে দাঁড় করিয়ে দ্রুত গতিতে বাচ্চাটির গাড়ির পিছনে দৌড়ায় এবং গাড়িটিকে রুখতে সক্ষম হয়। বাইকারের তৎপরতায় ওই বাচ্চাটির প্রাণ রক্ষা পায়। এবং বাচ্চাটির মা হাফ ছেড়ে বাঁচেন। ভিডিওটি কবেকার আর কোথাকার সেটা জানা সম্ভব হয়নি, তবে বাইকারটি যে লক্ষ লক্ষ মানুষের মন কেড়েছে, সেটা বলাই বাহুল্য।

১৯ সেপ্টেম্বর এই ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড হয়েছে। এরপর থেকেই ভিডিওটি ঝড়ের গতিতে ভাইরাল হচ্ছে। যারা যারা ভিডিওটি দেখেছেন, তাঁরা সবাই সেই বাইকারটির প্রশংসা করছেন এবং তাকে অতিমানব বলেও আখ্যা দিচ্ছেন। বাইকারটির নিজের জীবনের পরোয়া না করেই আচমকা বাইক থামিয়ে বাচ্চাটিকে বাঁচানোর জন্য দৌড়ায় বলেই, আজ এক মা সন্তানহারা হওয়ার থেকে বাঁচে। এরকম অনেক মানুষই আছে, যারা নিজেদের জীবনের পরোয়া না করে মানুষের জীবন বাঁচাতে ঝুঁকি নেন। আমাদের তরফ থেকে সেইসব অতিমানবকে জানাই স্যালুট।

Back to top button