টাইমলাইনপশ্চিমবঙ্গলাইফস্টাইল

কলকাতা থেকে সামান্য দূরে ঘুরে আসুন এই মনোরম জায়গাগুলি থেকে, খরচ মাত্র ৫০০ টাকা

বাংলাহান্ট ডেস্ক : সামনেই পুজো। পুজোর কটা দিন আমরা অনেকেই চাই আর পাঁচটা দিনের থেকে একটু আলাদা করে কাটাতে। পুজোয় যারা ঠাকুর দেখতে যাওয়া থেকে বিরত থাকতে চান তাদের জন্য একটা দারুণ খবর আছে। ঠাকুর দেখতে না গিয়ে আপনি যদি চান খুব অল্প খরচে কাছে কোথাও ঘুরতে যেতে তাহলে আজ আমরা আপনাকে এমনই তিনটি জায়গার সন্ধান দেবো। মাত্র ৫০০ টাকার মধ্যে আপনি এই জায়গা গুলো থেকে ঘুরে আসতে পারবেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক এই তিনটি বাজেট ফ্রেন্ডলি টুরিস্ট স্পট সম্বন্ধে।

শান্তিনিকেতন : আপনি যদি খুব কাছে এবং কম খরচে কোথাও ঘুরতে যেতে চান তাহলে শান্তিনিকেতন আপনার সেরা ডেস্টিনেশন হতে পারে। রবীন্দ্রনাথের স্মৃতিধন্য এই শান্তিনিকেতন আপনাকে একদিকে যেমন দেবে শান্ত নিরিবিলি পরিবেশের ছোঁয়া ,অন্যদিকে দেবে সোনাঝুরি, খোয়াইয়ের মুগ্ধতা। এছাড়াও শান্তিনিকেতনের আশেপাশের আদিবাসী গ্রাম গুলোও আপনি একবার চক্কর মেরে দেখতে পারেন।
শান্তিনিকেতনে আপনি সমস্ত ধরনের বাজেটের হোটেল পেয়ে যাবেন। মাত্র ৫০০ টাকা খরচেও আপনি বেশ ভালো থাকার জায়গা পেয়ে যাবেন। পাশাপাশি শান্তিনিকেতনে আপনার জন্য অপেক্ষা করছে কম বাজেটের বাঙালি খাবারের রেস্তোরর ভুঁড়িভোজ।

কেল্লার মাঠ: ডায়মন্ড হারবারে অবস্থিত কেল্লার মাঠ পুজোয় আপনার শর্ট ডেস্টিনেশনের অন্যতম মাধ্যম হতে পারে। হুগলি নদীর তীরে অবস্থিত অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা এই জায়গা আপনার মন আকর্ষণ করবে। পরিবারসহ এখানে এলে আছে ভালো থাকার ব্যবস্থাও। দক্ষিণবঙ্গের যেকোনো জায়গা থেকে আপনি সহজেই ৫০০ টাকারও কম খরচে কেল্লার মাঠ থেকে ঘুরে আসতে পারেন। তাছাড়াও এখানে অতি কম খরচে রয়েছে খাওয়ার ব্যবস্থাও।

দীঘা: ভ্রমণ পিপাসু বাঙালির চিরকালের অন্যতম প্রিয় ডেস্টিনেশন দীঘা। লং ট্যুর হোক বা একদিনের শর্ট ট্যুর, ৫০০ টাকা খরচে আপনি অতি সহজেই ঘুরে আসতে পারেন এই সমুদ্র সৈকত থেকে। ট্রেন ,বাস অথবা নিজস্ব বাহনে আপনি সহজেই এই সৈকত শহরে পৌঁছে যেতে পারেন মাত্র চার থেকে পাঁচ ঘন্টার মধ্যে। একদিনের খরচ এখানে বড় জোর ৫০০ টাকা। তবে আপনি যদি একদিনের বেশি এখানে থাকতে চান খরচ বাড়তে পারে। দিঘাতে গিয়ে আপনি আশেপাশের শংকরপুর, মন্দারমনি এলাকা গুলোতেও ঘুরে আসতে পারেন।

Related Articles