টাইমলাইনআবহাওয়া

খুব শীঘ্রই হবে আবহাওয়ায় বড়সড় পরিবর্তন! গভীর সমুদ্র থেকে ফিরল ৩০০০ ট্রলার

বাংলাহান্ট ডেস্কঃ ইলিশ (Ilish) ধরতে বেরিয়েও আবহাওয়ার (Weather) পরিবর্তনের কারণে উপকূলে ফিরে আসতে হচ্ছে সামুদ্রিক ট্রলারগুলোকে। বিগত কয়েকদিন ধরেই আবহাওয়ার বেশ খামখেয়ালিপনা দেখছে গোটা বঙ্গ। কখনও হালকা বৃষ্টি, তো আবার কখনও অতি ভারী বৃষ্টি। এরই মধ্যে মরসুমের মাছ ইলিশ ধরতে গিয়েও ফিরে আসতে হচ্ছে মৎস্যজীবীদের।

ফিরছে মৎস্যজীবীদের ট্রলার
আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে তাই গভীর সমুদ্র থেকে ফিরতে শুরু করেছে মৎস্যজীবীদের ট্রলার। গত ১৫ ই জুন থেকে এক এক করে ইলিশের উদ্যেশ্যে পাড়ি দেওয়া দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার প্রায় ৩ হাজার ট্রলার উপকূলে ফিরতে শুরু করে দিয়েছে। গত বুধবার সকাল থেকেই গভীর সমুদ্রে শুরু হয়েছে উত্তাল ঢেউ সঙ্গে, এবং সেই সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া। মাছ ধরতে গিয়ে যাতে ভয়াবহ বিপদের সম্মুখীন না হতে হয় মৎস্যজীবীদের, সেই কারণে তাঁদের ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চিন্তিত মৎস্যজীবীরা
উত্তর বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। যার জেরে আগামী ৪ দিন রাজ্যে টানা বৃষ্টির আভাষ দিয়েছে আবহাওয়া দফতর (Weather office)। রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণ সর্বত্রই ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই কারণে সমুদ্রযাত্রায় জারী করা হয়েছে লাল সতর্কতা। মরশুমের প্রথমেই এই সমস্যা দেখা দেওয়ায় চিন্তিত মৎস্যজীবীরা।

শহরের তাপমাত্রা
সকাল থেকেই কলকাতা (Kolkata) শহরে মেঘলা আকাশ দেখা গেছিল। গতকাল শহরে তাপমাত্রা ছিল, সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। আজ দিনের তাপমাত্রা কিছুটা হলেও বাড়তে পারে। আজ সর্বোচ তাপমাত্রা থাকবে ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে।

শহরের আকাশে সকাল থেকেই মেঘলা আবহাওয়া বিরাজ করেছে। বৃষ্টিও হয়েছে কয়েক পশলা। তবে রাজ্যের বেশ কিছু এলাকায় হালকা অথবা ভারী বৃষ্টি এবং সেই সঙ্গে বজ্রবিদ্যুতসহ ঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে আজ।

নেই কোন দুর্ঘটনার খবর
ইতিমধ্যেই জানা গিয়েছে মৎস্যজীবীদের এই ট্রলারগুলো কেঁদো দ্বীপ ও ছাইমাড়ি দ্বীপে সাময়ক আশ্রয় নিয়েছে। তবে এখনও কোন দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। এই বিষয়ে সুন্দরবন সামুদ্রিক মৎস্যজীবী শ্রমিক ইউনিয়নের সম্পাদক সতীনাথ পাত্র জানালেন, বর্তমানে আবহাওয়ার সমস্যা হওয়ায় মৎস্যজীবীদের উপকূলে ফিরে আসতে বলা হয়েছে। তবে আবহাওয়ার পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত, তারা উপকূলেই থাকবে।

Back to top button