টাইমলাইনপশ্চিমবঙ্গআবহাওয়া

সাগরে ফুঁসছে নিম্নচাপ! বাংলাজুড়ে ব্যাপক ঝড়বৃষ্টির সতর্কতা, একনজরে আজকের আবহাওয়া

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বিগত কয়েকদিনে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক প্রান্তে বিক্ষিপ্তভাবে মাঝারি এবং ভারী বৃষ্টিপাতের সাক্ষী থেকেছে মানুষ। একইসঙ্গে বর্তমানে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের কারণে আগামী দুই থেকে তিন দিন দক্ষিণের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে চলেছে। কলকাতার পাশাপাশি অন্যান্য প্রান্তেও ঝোড়ো হাওয়ার সাথে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে স্বস্তি মিলবে মানুষের। ইতিমধ্যেই মৎস্যজীবীদের সতর্ক করা হয়েছে। অপরদিকে, উত্তরবঙ্গেও (North Bengal) প্রবল বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা প্রকাশ করেছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।

আবহাওয়ার খবর
সর্বোচ্চ তাপমাত্রা : ৩৪.০° সেলসিয়াস
সর্বনিম্ন তাপমাত্রা : ২৬.৬° সেলসিয়াস
আর্দ্রতা : ৮২%
বাতাস : ১৫ কিমি/ঘন্টা
মেঘে ঢাকা : ৭০%

আজকের আবহাওয়া
প্রায় তিন মাসের কাছাকাছি সময় ধরে বঙ্গে বর্ষা বিরাজ করলেও এখনো পর্যন্ত এর প্রভাবে প্রবল বৃষ্টিপাত একপ্রকার হয়নি বললেই চলে। অতীতে বিক্ষিপ্তভাবে মাঝারি এবং ভারী বৃষ্টিপাতের সাক্ষী থাকে বাংলার বেশ কিছু প্রান্ত। তবে এর মাঝেই বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের জেরে আগামী কয়েক দিন কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে চলেছে। স্বাভাবিকভাবেই মিলবে স্বস্তি। আজ কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, বীরভূমের একাধিক প্রান্তে মাঝারি ও ভারী বৃষ্টিপাত হবে। দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পুরুলিয়া ও বর্ধমানের মতো জেলাগুলিতে প্রবল বৃষ্টি হবে। আজ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আদ্রতার পরিমাণ ৮২%।

উত্তর ও দক্ষিণ বঙ্গের আবহাওয়া
বঙ্গোপসাগরের সৃষ্ট নিম্নচাপের জেরে ইতিমধ্যেই সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ ধীরে ধীরে উড়িষ্যার অভিমুখে রওনা দেবে। এর প্রভাবে আগামী কয়েক দিন দক্ষিণের উপকূলবর্তী এবং পশ্চিমের জেলাগুলিতে প্রবল বৃষ্টিপাত হতে চলেছে। এক্ষেত্রে পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়ার মতো জেলাগুলিতে ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে।কলকাতা সহ অন্যান্য প্রান্তেও মাঝারি এবং ভারী বৃষ্টিপাত হবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। তবে বর্তমানে বৃষ্টিপাতের যে ঘাটতি দেখা গিয়েছে, তা কতটা মিটবে, সে বিষয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে।

অপরদিকে, বর্ষার প্রভাবে উত্তরবঙ্গে অধিক বৃষ্টিপাতের সাক্ষী থেকেছে মানুষ। মাঝের সময় বন্যার পাশাপাশি ধসের সর্তকতা পর্যন্ত জারি করা হয়। আগামী কয়েকদিনেও দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারের মতো জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টিপাত হবে বলে জানা গিয়েছে।

আগামীকালের আবহাওয়া 
আগামী দু-তিনদিন দক্ষিণের একাধিক প্রান্তে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে চলেছে। স্বাভাবিকভাবেই স্বস্তি মিলবে মানুষের। ইতিমধ্যেই ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বৃষ্টিপাতের ঘাটতি সম্পূর্ণভাবে না মিটলেও বেশ খানিকটা রেহাই মিলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

Related Articles