টাইমলাইনভারত

তুঙ্গে শারীরিক চাহিদা স্ত্রীর, দিনরাত সঙ্গমের জন্য করেন জোর! ডিভোর্স চেয়ে আদালতে স্বামী

বাংলাহান্ট ডেস্ক : সুস্থ বৈবাহিক সম্পর্কে শারীরিক চাহিদা থাকবে এটা ভীষণ একটা স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু সেই শারীরিক চাহিদাই যখন মাত্রাতিরিক্ত হয়ে যায় স্বামী বা স্ত্রীর যে কোনও একজনের ক্ষেত্রে তখন উল্টো দিকের মানুষটাকে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় বৈকি! প্রাথমিক অবস্থায়, পার্টনার কে বোঝানোর চেষ্টা করা গেলেও তাতে কোনো ফল না মিললে স্বাভাবিকভাবেই অন্য কোন উপায় ভাবতে হয়। কিন্তু তাই বলে আদালতের দ্বারস্থ হবেন কোন ব্যক্তি এমনটা কি ভাবা যায়? অবিশ্বাস্য লাগলেও একথা সত্যি যে স্ত্রীর প্রবল শারীরিক চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে উঠতে না পেরে এবার বিবাহবিচ্ছেদের আর্জি জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হলেন এক যুবক।

জানা গিয়েছে, নিজের পিটিশনে ওই যুবক অভিযোগ করেছিলেন যে ২০১২ সালে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। কিন্তু তাদের বৈবাহিক জীবন শুরুর সময় থেকেই তিনি বুঝতে পারেন যে তিনি তার স্ত্রীর ‘অতিরিক্ত অতৃপ্ত যৌন লালসার শিকার’। মারাত্মকভাবে যৌন নির্যাতনের পাশাপাশি ওই যুবক একথাও বলেন যে, তার স্ত্রী তাকে মদ এবং অন্যান্য পানীয়র সঙ্গে যৌন উত্তেজনাবর্ধক ঔষুধও খাইয়ে দিতেন। এমনকি, বিভিন্ন অস্বাভাবিক পদ্ধতিতে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করতেন বলেও দাবি করেছেন মুম্বইয়ের ওই যুবক।

যুবকের আরো সংযোজন, যুবকের নিষেধাজ্ঞাকে অগ্রাহ্য করে তার স্ত্রী অন্য কারো সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করবেন বলে প্রতিনিয়ত হুমকি দিতেন। যুবকের বক্তব্য, তার স্ত্রীর যৌন মিলনের ইচ্ছা এতটাই তীব্র ছিল যে পেটের সমস্যার কারণে যুবক হাসপাতালে ভর্তি হবার পরেও তিনি যুবককে যৌন মিলনে বাধ্য করেছিলেন। তাই, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় তিনি আইনি সাহায্যের আশায় আদালতে হাজির হয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন।

এরপরেই মুম্বইয়ের ওই যুবকের আর্জি যথেষ্ট গুরুত্বের সঙ্গে বিচার-বিশ্লেষণ করে আদালত এবং একই সঙ্গে সেই মামলার শুনানিতে তার স্ত্রী হাজির না থাকার জন্য ওই ব্যক্তিকে বিবাহবিচ্ছেদের অনুমতিও দিয়ে দেয় আদালত। বিচারক জানান, যেহেতু ওই মহিলা কোর্টে অনুপস্থিত, তাই পিটিশন দাখিলকারীর অভিযোগের কোনো প্রত্যুত্তর পাওয়া সম্ভব নয়। আর সেই কারণেই আদালত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অভিযোগকে মান্যতা দিয়ে বিবাহবিচ্ছেদের অনুমতি দেয়।

Related Articles

Back to top button