টাইমলাইনপশ্চিমবঙ্গরাজনীতি

সুকন্যাকে দেখেই ‘গরু চোর” বলে ডাক মহিলার, হাইকোর্ট চত্বরে তুলকালাম

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ কদিন আগে পার্থ, এবার অনুব্রত! বাংলার রাজনীতি যেন সার্কাস খেলায় পরিণত হয়েছে। তবে শুধু এড়া দুজনাই নয়, এদের সঙ্গে অনেক রাঘবোয়াল জড়িত আছে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের। দুর্নীতি, চুরি যেন বর্তমানে বাংলার রাজনীতির অঙ্গ হয়ে উঠেছে। চারিদিক থেকেই শাসক দলের বিরুদ্ধে উঠে আসছে পাহাড় প্রমাণ অভিযোগ। 

আর এই অভিযোগ থেকে বাদ যাননি শাসক দলের নেতা-মন্ত্রীর কন্যারাও। কিছুদিন আগে রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর মেয়ের  চাকরি গিয়েছে। বেআইনি ভাবে প্রভাব খাটিয়ে অঙ্কিতাকে চাকরি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল তাঁর মন্ত্রী বাবার বিরুদ্ধে। এরপর হাইকোর্টের নির্দেশে চাকরি যায় মন্ত্রী কন্যার।

আর এরই মধ্যে বীরভূমের বেতাজ বাদশা অনুব্রত মণ্ডল, যিনি বর্তমানে গরু পাচারের দায়ে সিবিআই-র হেফাজতে রয়েছেন, তাঁর মেয়ে সুকন্যার বিরুদ্ধেও বেআইনি ভাবে চাকরি করার অভিযোগ উঠেছে। যদিও, অনুব্রতর দাবি তাঁর মেয়ে টেট পাশ করেই চাকরি পেয়েছে। কোনও প্রভাব খাটানো হয়নি।

এদিকে এই মামলায় আজ অনুব্রত কন্যাকে তলব করা হয়েছিল হাইকোর্টের তরফে। এদিন দুপুরে সুকন্যা হাইকোর্টে পা রাখতেই তাঁকে উদ্দেশ্যে করে ভেসে আসে কটূক্তি। হাইকোর্টে নিজের কাজে যাওয়া এক মহিলা সুকন্যাকে গরু চোর ও গরু চোরের মেয়ে বলে কটাক্ষ করেন।

মালতী নামের ওই মহিলা সংবাদমাধ্যমের সামনে বুক ফুলিয়ে বলেন যে, একশবার বলব গরু চোর। মালতীদেবী বলেন, ৮ পাশ মানুষ মাছের দোকান থেকে কোটি কোটি টাকার মালিক। কীভাবে হল? সবাই জানে কতটা চুরি হয়েছে। এদের জন্য অনেক মানুষ এখন রাস্তায় ঘুরছে।

মালতী দেবীকে যখন জিজ্ঞাসা করা হয় যে, তাঁর সন্তানরা টেট দিয়েছিলেন কী না? তখন মালতী দেবী বলেন, দেবে কেন? দিলে তো বছরের পর বছর ধরে রাস্তায় বসে আন্দোলন করতে হত। এর থেকে ভালো দেয়নি। মালতী দেবী জানান, তিনি ব্যক্তিগত কাজে হাইকোর্টে এসেছিলেন, আর সেখানে তিনি সুকন্যাকে দেখে নিজেকে আর কন্ট্রোল করতে পারেননি, এই কারণেই তিনি সবার সামনেই সুকন্যাকে গরু চোর আর গরু চোরের মেয়ে বলে কটাক্ষ করেছেন।

Related Articles