টাইমলাইনভারতরাজনীতি

রাইসিনা’র দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে যশবন্ত সিনহা ও দ্রৌপদী মুর্মু, জেনে নিন কার শিক্ষাগত যোগ্যতা কতখানি

বাংলাহান্ট ডেস্ক : রাইসিনা হিলসের সিংহাসন লাভের দৌড়ে একে অপরের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন দ্রৌপদী মুর্মু ও যশবন্ত সিনহা। এনডিএ সমর্থিত প্রার্থী হওয়ায় দ্রৌপদী মুর্মু যেমন ভোটের অঙ্কে কিছুটা এগিয়ে আছেন, তেমনই ধারে ও ভারে বেশ খানিকটা এগিয়ে যশবন্ত সিনহা। জেনে নেওয়া যাক দুই রাষ্ট্রপতি পদের প্রতিদ্বন্দ্বির শিক্ষাগত যোগ্যতাও।

১৯৩৭ সালের ৬ নভেম্বর যশবন্ত সিনহা বিহারে জন্মগ্রহন করেন। পাটনার স্কুল ও কলেজে তিনি পড়াশোনা করেন। ১৯৫৮ সালে পাটনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। ১৯৫৮ থেকে ১৯৬০ সাল পর্যন্ত ওই প্রতিষ্ঠানেই রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে অধ্যাপনাও করেন তিনি। তারপর ১৯৬০ সালে ভারতীয় সিভিল সার্ভিস পাশ করেন। বিহার সরকারের অর্থ বিভাগ এবং কেন্দ্রীয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়-সহ একের পর এক বিভিন্ন শীর্ষ পদের দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেন। তিনি ১৯৭১ থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত জার্মানিতে ভারতীয় দূতাবাসে প্রথম সচিব হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৩ সালে জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টে কনসালের জেনারেল পদেও নিযুক্ত হন তিনি।

এর পর যশবন্ত সিনহা বিহার সরকার এবং কেন্দ্রের শিল্পমন্ত্রকের সঙ্গে শিল্প সহযোগিতা, বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি অধিকার এবং প্রযুক্তি আমদানি পরিচালনার দায়িত্ব নেন। ১৯৮৪ ছিল যশবন্ত সিনহার কর্মজীবনের একটি উল্লেখযোগ্য মোড়। ১৯৭০-এর দশকে জয়প্রকাশ নারায়ণের সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনে তিনি প্রভাবিতও হন। ১০ বছর পর ১৯৮৪ সালে তিনি জনতা পার্টিতে যোগদান করেন। এরপর ১৯৯০-৯১ সালে চন্দ্রশেখর সরকারের অর্থমন্ত্রী নিযুক্ত হন যশবন্ত সিনহা। ১৯৮৯ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত বাজপেয়ী সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রী নিযুক্ত হন তিনি। ২০১৮ সালে মতপার্থক্যের কারনে বিজেপি ছাড়েন। ২০২১ সালে তৃণমূলে যোগ দেন। এর পরেই ২০২২ সালে বিরোধী জোটের রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন পান।

অন্যদিকে দ্রৌপদী মুর্মু একজন সহশিক্ষিকা থেকে প্রথমে বিজেপির সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করেন। পরে ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল নির্বাচিত হন। ২০২২ সালে এনডিএ জোটের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেন।

Related Articles

Back to top button