মালদ্বীপের থেকেও অনেক বেশি সুন্দর ভারতের এই দ্বীপ, গেলেই পাবেন স্বর্গীয় অনুভূতি

বাংলা হান্ট ডেস্ক: বেড়াতে যেতে আমরা সকলেই খুব ভালোবাসি। দৈনন্দিন জীবনের বাঁধা-ধরা নিয়ম থেকে মুক্তি পেতে ছুটি পেলেই তাই অনেকেই প্ল্যান করেন বেড়াতে যাওয়ার। পাহাড় হোক কিংবা সমুদ্র, আমাদের দেশে বেড়ানোর জায়গার কোনো অভাব নেই। যেই কারনে, যেকোনো ছুটির মরশুমে প্রতিটি টুরিস্ট স্পটেই প্রবল ভিড় পরিলক্ষিত হয়।

এদিকে, বেড়াতে যাওয়ার কথা বললেই আমরা সাধারণত নির্ধারিত কিছু জায়গাকেই বেছে নিই। এমনকি, ঘুরতে যাওয়ার বাজেট এবং ছুটির দিন বেশি থাকলে অনেকেই আবার পাড়ি দেন মালদ্বীপের উদ্দেশ্যে। তবে আপনি কি জানেন, মালদ্বীপ ছাড়াও আমাদের দেশে এমন একটি দ্বীপ রয়েছে যেখানে গেলে আপনি কার্যত স্বর্গীয় অনুভূতি পাবেন।

নীল সমুদ্র থেকে শুরু করে প্রবাল প্রাচীর, পাশাপাশি বিভিন্ন মনোরঞ্জন মূলক উপকরণ সমস্ত কিছুরই ব্যবস্থা আছে এই দ্বীপে। যদিও, পর্যটকদের খুব একটা ভীড় এখানে পরিলক্ষিত হয় না। মূলত, আমরা লাক্ষাদ্বীপের মিনিকয় দ্বীপের প্রসঙ্গ উপস্থাপন করছি। যেখানে আপনি খুব সহজে ছুটি কাটানোর জন্য আসতেই পারেন।

সাধারণত, এই দ্বীপ “নারীদের দ্বীপ” নামে পরিচিত। পাশাপাশি এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নিঃসন্দেহে মুগ্ধ করবে যে কাউকেই। সেখানকার লেগুনের স্বচ্ছ এবং উষ্ণ জলের পাশাপাশি জীবিত প্রবাল প্রাচীর আপনাকে অবাক করতেও বাধ্য করবে। মূলত, মিনিকয় হল এমন একটি দ্বীপ যেখানে মোট ১১ টি গ্রামের বাসিন্দা বসবাস করেন। এছাড়াও, সাধারণত টুনা মাছ ধরাই এখানকার অধিবাসীদের প্রধান জীবিকা। পাশাপাশি, এটি লাক্ষাদ্বীপের অন্তর্গত দ্বিতীয় বৃহত্তম দ্বীপ হিসেবে বিবেচিত হয়।

0 b1a8ek00Gwf23Sun

শুধু তাই নয়, মিনিকয় হল লাক্ষাদ্বীপের দক্ষিণতম দ্বীপ। এই কারণে এটি ভারতের অন্য যেকোনো অংশের তুলনায় মালদ্বীপের কাছাকাছি অবস্থিত এবং এখানে মহল ভাষারও প্রচলন রয়েছে যা মূলত, মালদ্বীপের দিভেহির একটি উপভাষা। যদিও, লাক্ষাদ্বীপের বাকি অংশে মালায়লাম ভাষার ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়। পাশাপাশি, এই দ্বীপে পর্যটকদের জন বিভিন্ন রোমাঞ্চকর ব্যবস্থাও আছে। স্কুবা ডাইভিং থেকে শুরু করে বোট চালনা সমস্ত কিছুই করা সম্ভব এই দ্বীপে। আর সেই কারণেই ক্রমশ পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে মিনিকয় দ্বীপ।

Sayak Panda
Sayak Panda

সায়ক পন্ডা, মেদিনীপুর কলেজ (অটোনমাস) থেকে মাস কমিউনিকেশন এবং সাংবাদিকতার পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কোর্স করার পর শুরু নিয়মিত লেখালেখি। ২ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলা হান্ট-এর কনটেন্ট রাইটার হিসেবে নিযুক্ত।

সম্পর্কিত খবর