বাংলা হান্ট ডেস্কঃ আজ ২১ জুলাই, তৃণমূলের শহীদ দিবস (TMC Shahid Diwas)। এবছর ৩০ বছরে পদার্পণ করেছে ২১ জুলাই শহিদ তৰ্পন অনুষ্ঠান। মহানগরীর বুকে ঢল নেমেছে জোড়াফুলের সমর্থকদের। পঞ্চায়েত ভোট আর বিরোধী জোটের পর সকলেরই নজর ছিল আজকের এই সমাবেশের দিকে। তবে পঞ্চায়েত ভোটের চেয়ে বিজেপি বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ (INDIA) জোটের কথায় বেশি উঠে এল বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর গলায়।
যদিও পঞ্চায়েত ভোট নিয়েও লাগাতার বিরোধীদের নিশানা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ভোট সন্ত্রাসে মৃত্যুর প্রসঙ্গ উঠে এল মমতার কথায়। বিরোধীদের একজোটে আক্রমণ করে মমতা বলেন, “‘পঞ্চায়েত ভোটে ২৯ জন মারা গেছে, ১৮ জনই তৃণমূল কর্মী, কে খুন করলকারা খুনটা করল? তৃণমূল কংগ্রেস তৃণমূল কংগ্রেসকে খুন করল? বিজেপির বন্ধুরা হিসেবটা মানুষকে দিন।”
মমতা আরও বলেন, “গোটা রাজ্যে ৭১ হাজার বুথে ভোট হল, ৩টে জায়গায় গোলমাল হল। একটা ভাঙড়, ডোমকল, ইসলামপুর বা চাপড়ার ওদিকে গন্ডগোল করেছিল। কোচবিহারে ১জন মারা গিয়েছে। তৃণমূলের ১৮ জন, সিপিএমের ৩ জন, আর বিজেপির ৩ জন খুন হয়েছে। আমরা প্রত্যেক পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা এবং হোমগার্ডের চাকরি দিচ্ছি।”
বিরোধীদের একহাত নিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমোর বক্তব্য, “আমরা সিপিএম, কংগ্রেস, বিজেপি করি না। আমরা মৃত্যুকে স্বাগত জানাই না। বিজেপির প্ল্যান তৈরি করে সাজিয়ে দিয়ে, ভুয়ো ভিডিও তৈরি করে বাংলাকে অসম্মান করার চক্রান্ত করেছে। প্রধানমন্ত্রী মণিপুর নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বাংলার প্রসঙ্গ রাখা নিয়ে এটা প্রমাণিত।”
এদিন মুখ্যমন্ত্রীর কথায় একাধিকবার উঠে আসে মণিপুর প্রসঙ্গ। ভাষণের শুরুতেই ধিক্কার দেন বিজেপির বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও স্লোগানকে। মণিপুর ইস্যু তুলে মমতার মন্তব্য, কোথায় গেল আপনাদের বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও স্লোগান?