টাইমলাইনপশ্চিমবঙ্গরাজনীতি

চপারে-জাহাজে চড়ে নয়, পায়ে হেঁটে এখানে এসেছিঃ জল্পনা বাড়িয়ে মন্তব্য করলেন মদন মিত্র

বাংলাহান্ট ডেস্কঃ শুভেন্দু অধিকারীর পর এবার তৃণমূলের প্রাক্তন নেতা মদন মিত্রকে (Madan Mitra) নিয়ে সরগরম বঙ্গ রাজনীতি। নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে ‘Time for pack-up!!’ ক্যাপশন লিখে আলোচনার শীর্ষে এখন মদন মিত্র। বাংলার শাসক দলের একজন মন্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও তাঁর এই আচরণে কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে তৃণমূলের তাবড় তাবড় নেতৃত্বদের।

শুধুমাত্র একটি ক্যাপশন লিখেই থেমে যাননি তৃণমূলের এই বর্ষীয়ান নেতা। নিজের ফেসবুক প্রোফাইল থেকে আবার লাইভে এসে বেশকিছু ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্যও করেছেন। তবে কি এবার মমতা ব্যানার্জীর ছায়াসঙ্গী মদন মিত্রের পালা? এমনটাও কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে রাজনৈতিক মহলে কান পাতলে।

Madan Mitra Bangla Hunt Bengali News

এদিন ফেসবুক লাইভে এসে তিনি কিছুটা প্রাক্তন পরিবহনমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর স্টাইলে বলে উঠলেন, ‘আমি জাহাজেও চড়িনি, আবার চপারেও চড়িনি। পায়ে হেঁটেই এই অবধি এসেছি। যার যা রাগ আছে, মিটিয়ে নিতে পারেন। দল আমাকে এখনও তাড়িয়ে দেয়নি। তৃণমূল আমাকে অনেক কিছু দিয়েছে। স্টোরি, স্টেটাস সব বদলে গেলেও, মদন মিত্রের ক্যারেক্টার কোনদিন বদলাবে না। চুহা মেরে কোনদিন হাত গন্ধ করব না আমি’।

নিজের জনপ্রিয়তার বড়াই করে তিনি বলেন, ‘বাংলার অন্যান্য ক্ষমতাশীল নেতা মন্ত্রীদের জনপ্রিয়তা দেখে আমি অনেক খুশি হই। তবে আমি মন্ত্রী ছিলাম ২০১৩-২০১৪ সালে, আর এটা ২০২০ সাল। আমি শুধু একটা কথাই বলব, আজকে যারা জনপ্রিয় মন্ত্রী, তারাই মন্ত্রীত্ব ছাড়ার ৬ বছর পর আমার সঙ্গে দেখা করতে এসো। তখন একবার জনপ্রিয়তাটা মেপে নেওয়া যাবে’।

নিজের ফেসবুক প্রোফাইলের ক্যাপশনে ‘Time for pack-up!!’ লেখার পর অনেক ফোন আসে মদন মিত্রের কাছে। এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বিরাট ব্যবধানে ভোটে জিতে যখন মন্ত্রী হয়েছিলাম, তখন কিন্তু আমার কাছে এত ফোন আসেনি, এখন যত ফোন আসছে। প্যাক-আপ প্রসঙ্গে হাজার হাজার ফোন আসছে। আপনারা তো ব্যাক-আপ মানে বোঝেন। তাহলে প্যাক-আপ নিয়ে সমস্যা কোথায়? নতুন লড়াইয়ের জন্য তৈরি হওয়ার ডাক- হল এই প্যাক-আপের অর্থ’।

Back to top button