টাইমলাইনপশ্চিমবঙ্গভারতরাজনীতি

কংগ্রেসকে সঙ্গে নিয়ে চলার বার্তা দেওয়ার মাঝেই কংগ্রেসে ভাঙন ধরাল তৃণমূল! ঘাসফুলে যোগ সুস্মিতা দেবের

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রবিবার হঠাৎই কংগ্রেস প্রধান সোনিয়া গান্ধীকে চিঠি লিখে দল ত্যাগ করেছিলেন শিলচরের কংগ্রেস নেত্রী সুস্মিতা দেব। ইস্তফাপত্রে অবশ্য দলত্যাগের কোন কারণ জানাননি তিনি। নিজের ইস্তফাপত্র এই বর্ষিয়ান কংগ্রেস নেত্রী লেখেন,  “আমি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সঙ্গে আমার তিন দশকের দীর্ঘ সম্পর্ককে লালন করি। আমি পার্টির সকল নেতা, সদস্য এবং কর্মীদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি যারা আমার যাত্রা স্মরণীয় করেছেন। ম্যাডাম, আমি ব্যক্তিগতভাবে আপনাকে ধন্যবাদ জানাই আপনার নির্দেশনার জন্য এবং আপনি আমাকে যে সুযোগ দিয়েছেন।”

তারপর থেকেই অনেকেই জল্পনার ঘুটি সাজাচ্ছিলেন তাকে নিয়ে। ওয়াকিবহাল মহলের অনুমানও বলছিল, সম্ভবত ঘাসফুল শিবিরের ধ্বজা ধরতে পারেন তিনি। অবশেষে আজ সফল প্রমাণিত হল সেই অনুমান। আনুষ্ঠানিকভাবে সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন নেত্রী সুস্মিতা দেব। আজ ক্যামাক স্ট্রীটে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জীর হাত ধরেই তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন তিনি।

তারপর সেখান থেকে গলায় তৃণমূলের উত্তরীয় পরেই যাত্রা করেন নবান্নের উদ্দেশ্যে। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জয়ের পরেই ত্রিপুরা এবং অসমকে পাখির যোগ করেছে তৃণমূল। আর তাই ত্রিপুরার পাশাপাশি অসমেও শক্তি বাড়াতে শিলচরের এই কংগ্রেস নেত্রীকে দলে টানলো ঘাসফুল শিবির। সূত্রের খবর অনুযায়ী, দলের অন্দরে বড় পদ পেতে চলেছেন সুস্মিতা। তিনি নিজেও জানিয়েছেন, জনসেবার এক নতুন অধ্যায় শুরু করতে চলেছেন তিনি।

কিন্তু এখানেই রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা তুলছেন আরেকটি অন্য প্রশ্ন, দিল্লিতে সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করে কংগ্রেসেরকে পাশে নিয়ে চলারই বার্তা দিয়েছেন মমতা। তারপরও সেই কংগ্রেস থেকেই নেত্রীরা এসে তৃণমূলে যোগ দিলে, সেই সৌহার্দ্যের বন্ধনে কোথাও ঘা লাগবে না কি? যদিও এই প্রশ্নের উত্তর দেবে সময়ই। আপাতত সুস্মিতার হঠাৎ কংগ্রেস ত্যাগে অবাক হয়েছিলেন অনেকেই। সেই অধ্যায়ের যে পরিসমাপ্তি ঘটল তা বলাই বাহুল্য।

 

Related Articles

Back to top button