ফকির থেকে রাজা! একটা দুটো নয়, পরপর ১১ টি হীরা পেলেন এই দম্পতি, রাতারাতি খুলে গেল ভাগ্য

বাংলা হান্ট ডেস্ক : মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh) পান্না জেলার (Panna) রত্নগর্ভা ধরিত্রী কবে কাকে রাজা বানিয়ে দেবে তা বলা যায়না। কত মানুষকে ফকির থেকে রাজা বানিয়েছে এই জেলা তার ইয়ত্তা নেই। সদ্যই যেমন রাতারাতি লক্ষ টাকার মালিক হয়ে গেলেন মধ্যপ্রদেশের পান্না জেলার এক দম্পতি। খনি থেকে প্রায় ৮.০১ ক্যারেটের হীরা (Diamond) পেয়েছেন মীনা সিং এবং তার স্বামী রানা প্রতাপ সিং। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা বলে জানা গেছে।

আশ্চর্যের বিষয় হল, এর আগেও পান্নার হীরা খনি থেকে আরও ১১টি হীরা পেয়েছিলেন এই দম্পতি। অনেকেই জানেন যে, পান্না শহরের প্রায় ৮০ কিলোমিটার বলয় হীরার খনির জন্য বিখ্যাত। এখানকার খনি ১০ ফুট পর্যন্ত হলেও J.C.B. মেশিন দিয়ে ২০ থেকে ৪০ ফুট গভীর খনি খনন করা হচ্ছে।

জানা যাচ্ছে, জেলা হীরার আধিকারিকরাও কখনও এইসব হীরার খনি পরিদর্শন করেননা। এ কারণে খনি অপারেটরাও নির্ভয়ে লিমিটের চেয়ে বেশি গভীর খনন করছেন। জানা যাচ্ছে, কোথাও কোথাও কর্মকর্তারাও নাকি এই যোগসাজশে যুক্ত রয়েছেন। জানা যাচ্ছে, সম্প্রতি প্রায় ২৫ ক্যারেটের একটি হীরা চুরি হয়েছে। এইসব নিয়ে নাকি কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থাই নেয়নি।

সাংবাদিক সম্মেলনে এই বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই হীরা চুরি সম্পর্কে তারা অবগত ছিলেন। এবং এই বিষয়ে যথাযত তদন্ত-ও করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন। এদিকে উত্তরপ্রদেশের নয়ডার বাসিন্দা রানা প্রতাপ সিং তার কয়েকজন বন্ধুর নির্দেশে ২০২১ সালে পান্নায় এসে হীরার খনি স্থাপনের কাজ শুরু করেন। এবং সেখানে পর পর ১১ টি হীরা পান তিনি।

88177403

জানা যায়, পান্নার জাড়ুয়াপুর গ্রামের অগভীর হীরার খনি থেকেও তিনি ৮.০১ ক্যারেটের মূল্যবান হীরা পেয়েছেন। এই খাদানটি তিনি জড়ুয়াপুর গ্রামের কৃষক বিমল সরকারের জমিতে খনন করিয়েছিলেন। জানা যাচ্ছে, খামারের মালিক বিমল সরকার এই খনির ২০% অংশীদার। এ ছাড়া সঞ্জয় অধিকারী ৫% অংশীদার। খনি খননের ৩ মাস পর এই নতুন হীরাটি পেয়েছেন তিনি।

Moumita Mondal
Moumita Mondal

মৌমিতা মণ্ডল, গ্র্যাজুয়েশনের পর শুরু নিয়মিত লেখালেখি। বিগত ৩ বছরেরও বেশি সময় ধরে লেখালেখির সাথে যুক্ত। প্রায় ২ বছর ধরে বাংলা হান্ট-এর কনটেন্ট রাইটার হিসেবে নিযুক্ত।

সম্পর্কিত খবর