পে কমিশনের রিপোর্ট নিয়ে কারচুপি? রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে এবার হাই কোর্টে দায়ের মামলা

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ লোকসভা ভোটের আগেই রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ (DA) বৃদ্ধি করেছে রাজ্য সরকার। আগে ১০ শতাংশ করে মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ পেতেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা। ফেব্রুয়ারী মাসে ৪% বৃদ্ধি করার পর বর্তমানে তা দাঁড়িয়েছে ১৪ শতাংশে। এই নিয়ে একদিকে যেমন খুশি সরকারি কর্মীদের একটা অংশ, তেমনি অন্য দিকে কেন্দ্রীয় হারে মহার্ঘ ভাতার দাবিতে আন্দোলন চালাচ্ছেন বহু সরকারি কর্মীরা। এরই মাঝে এবার রাজ্য সরকারি কর্মীদের ষষ্ঠ বেতন কমিশনের রিপোর্ট নিয়ে একটি মামলা দায়ের হয়েছে হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। এমনই গুরুত্বপূর্ণ আপডেট সামনে এল।

দীর্ঘদিন ধরেই ইউনিটি ফোরামের তরফ থেকে রাজ্যের ষষ্ঠ বেতন কমিশন সংক্রান্ত রিপোর্ট হাতে পাওয়ার চেষ্টা করছিল। এই নিয়ে মামলাও হয় কলকাতা হাই কোর্টে। আদালতে সরকারি কর্মীদের সংগঠন জয়লাভ করেছিল। তবে তারপরও রাজ্য সরকার নির্দেশ মানেনি।

   

আগেই ইউনিটি ফোরামের আবেদন মেনে ষষ্ঠ বেতন কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করার জন্য রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। তবে আদালতের নির্দেশে কর্ণপাত করেনি রাজ্য। হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী পদক্ষেপ করেনি রাজ্য সরকার। সূত্রের খবর, ফের একবার আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে।

আদালত নির্দেশ দেওয়ার পরও তা না মানায় আদালত অবমাননার মামলার আবেদন করা হয়। সেই আবেদন গৃহীত হয়েছে ২৪ মে। বর্তমানে হাইকোর্টে গরমের ছুটি চলছে। ১০ জুন তা খুলছে। আদালত সূত্রে খবর আগামী ১৪ জুন এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে। বিবাদী পক্ষ হিসেবে থাকবেন রাজ্য সরকারের অর্থ দফতরের দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত মুখ্যসচিব। হাই কোর্টের বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্যের বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হবে বলে জানা যাচ্ছে।

Calcutta High Court

আরও পড়ুন: ‘পুলিশের পায়ে ধরি, ওরা দাঁড়িয়ে দেখেছে’! ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতায় শিউরে উঠছেন নন্দীগ্রামে নিহত BJP কর্মীর মেয়ে

প্রসঙ্গত, ইউনিটি ফোরামের তরফ থেকে ষষ্ঠ বেতন কমিশনের রিপোর্টের বিশদ জানতে আরটিআই করা হয়েছিল। যদিও তার জবাব মেলেনি। এরপর অভিযোগ তুলে হাই কোর্টে দায়ের হয় মামলা। আদালত ষষ্ঠ বেতন কমিশন সংক্রান্ত রিপোর্ট প্রকাশ করার জন্য রাজ্যকে নির্দেশ দেয়। যদিও সেই নির্দেশ কার্যকর করেনি রাজ্য। এই ইস্যুতেই এবার অবমাননার মামলা দায়ের করেছে ইউনিটি ফোরাম।

Sharmi Dhar
Sharmi Dhar

শর্মি ধর, বাংলা হান্ট এর রাজনৈতিক কনটেন্ট রাইটার। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। বিগত ৩ বছর ধরে সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত ।

সম্পর্কিত খবর