তৈরি হচ্ছে নজির! বুলেট ট্রেনের জন্য প্রস্তুত হল ১০০ কিমির ব্রিজ, ভাইরাল ভিডিও দেখলে অবাক হবেন

বাংলা হান্ট ডেস্ক: মুম্বাই-আহমেদাবাদের (Mumbai-Ahmadabad) মধ্যে চলাচলকারী দেশের প্রথম বুলেট ট্রেনের (Bullet Train) কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। ইতিমধ্যেই মুম্বাই-আহমেদাবাদ বুলেট ট্রেন করিডোর তৈরি করা সংস্থা ন্যাশনাল হাই স্পিড রেল কর্পোরেশন লিমিটেড (NHSRCL) গত বৃহস্পতিবার জানিয়েছে যে, এই বহুকাঙ্ক্ষিত প্রকল্পের জন্য ১০০ কিলোমিটার ভায়াডাক্ট এবং ২৩০ কিলোমিটার পিয়ারের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

   

১০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সেতু প্রস্তুত:

সামগ্রিকভাবে এই প্রকল্পের জন্য ১০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সেতু তৈরি করা হয়েছে এবং ২৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ রুটে পিয়ার তৈরি করা হয়েছে। ন্যাশনাল হাই স্পিড রেল কর্পোরেশন লিমিটেড জানিয়েছে যে, ৪০ মিটার দীর্ঘ “ফুল স্প্যান বক্স গার্ডার” এবং “সেগমেন্টাল গার্ডার” চালু করার মাধ্যমে ১০০ কিলোমিটার ভায়াডাক্ট নির্মাণের মাইলফলক অর্জন করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, এই সংক্রান্ত ভিডিও প্রকাশ করেছেন স্বয়ং রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।

আরও পড়ুন: অপেক্ষার অবসান, এবার চোখের পলকে পৌঁছনো যাবে কাশ্মীর উপত্যকা! শেষের পথে রেল প্রকল্পের কাজ

গুজরাটের ছয়টি নদীর ওপর নির্মিত সেতু:

জানা গিয়েছে, নির্মীয়মাণ ভায়াডাক্ট গুজরাটের ছয়টি নদীর ওপরে রয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে ভালসাদ জেলার পার এবং আওরঙ্গা, সেইসাথে নভসারি জেলার পূর্ণা, মিন্ধোলা, অম্বিকা এবং ভেঙ্গানিয়া। NHSRCL-এর মতে, “প্রকল্পের প্রথম গার্ডারটি ২৫ নভেম্বর, ২০২১-এ লঞ্চ করা হয়েছিল। পাশাপাশি ভায়াডাক্টের প্রথম কিলোমিটারটি ৩০ জুন, ২০২২-এ ছয় মাসের মধ্যে সম্পন্ন হয়েছিল। এছাড়াও, গত ২২ এপ্রিল ৫০ কিলোমিটার ভায়াডাক্টের নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে এবং তারপরে, ১০০ কিলোমিটার ভায়াডাক্টটি ছয় মাসে শেষ হয়েছে।

আরও পড়ুন: মাধ্যমিক পরীক্ষার আগেই আসছে নতুন বই! সিলেবাসে হচ্ছে বদল? কি জানাল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ?

ট্র্যাক বেড বিছানোর কাজ শুরু হয়েছে:

উল্লেখ্য যে, জাপানি শিনকানসেনে ব্যবহৃত রিইনফোর্সড কংক্রিট (আরসি) থেকে মুম্বাই-আহমেদাবাদ হাই স্পিড রেল করিডোর ট্র্যাক সিস্টেমের জন্য ট্র্যাক বেড স্থাপনের কাজও শুরু হয়েছে সুরাটে। এদিকে, মুম্বাই-আহমেদাবাদ হাই স্পিড রেল করিডোর প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১.০৮ লক্ষ কোটি টাকা।

শেয়ারহোল্ডিং প্যাটার্ন অনুসারে, কেন্দ্রীয় সরকার NHSRCL-কে ১০,০০০ কোটি টাকা দেবে। অপরদিকে, গুজরাট এবং মহারাষ্ট্র ৫০০০ কোটি টাকা দেবে। বাকি খরচ ০.১ শতাংশ সুদে জাপান থেকে ঋণের মাধ্যমে মিলবে। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে আহমেদাবাদে বুলেট ট্রেন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছিল। এই ট্রেন পরিষেবা শুরু হলে তা প্রায় ২ ঘণ্টায় ৫০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্ব অতিক্রম করবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।