মাতৃ দিবসে উপহার দিয়েছিলেন আনন্দ মহিন্দ্রা, কেমন হল ‘ইডলি আম্মার” নতুন বাড়ি?

Published On:

বাংলা হান্ট ডেস্ক: মাতৃ দিবস উপলক্ষ্যে “ইডলি আম্মা” (ইডলি পাটি) নামে পরিচিত তামিলনাড়ুর ভাদিভেলামপালায়মের বাসিন্দা কমলাথালকে এবার বিরাট উপহার দিলেন দেশের অন্যতম বিজনেস টাইকুন আনন্দ মাহিন্দ্রা। তিনি “ইডলি আম্মা”-কে একটি নতুন বাড়ি উপহার হিসেবে দিয়েছেন। এদিকে, মাহিন্দ্রার এই অভিনব উদ্যোগ ইতিমধ্যেই ঝড় তুলেছে নেটমাধ্যমে। সকলেই একবাক্যে তাঁর ভূয়সী প্রশংসাও করেছেন।

এই প্রসঙ্গে মাতৃ দিবসের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি আনন্দ মাহিন্দ্রা টুইটের মাধ্যমে এই বিরাট উপহারের বিষয়টি সামনে আনেন। তাছাড়াও, তিনি তাঁর টিমকে সময়ের মধ্যে বাড়িটি তৈরি করে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদও জানান। এমনকি, কমলাথালকে সাহায্য করতে পেরে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত হয়েছেন বলেও জানিয়েছিলেন মাহিন্দ্রা অ্যান্ড মাহিন্দ্রা গ্রুপের চেয়ারম্যান।

“ইডলি আম্মা”-র নতুন এই বাড়িটি অত্যন্ত সুন্দর। পাশাপাশি, তাঁর এই বাড়িতে একটি বিশেষ রান্নাঘরও তৈরি করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে সংবাদ সংস্থা ANI-কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে কমলাথাল জানিয়েছেন, “আমি খুব খুশি যে আমি এখন একটি নতুন বাড়ি পেয়েছি এবং এই মাসের শেষের দিকেই আমি নতুন বাড়িতে স্থানান্তরিত হব।”

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, কমলাথাল তাঁর শহর ও আশেপাশের এলাকায় “ইডলি পাটি” বা “ইডলি দাদি” নামে সমধিক পরিচিত। তিনি মাত্র এক টাকায় সবাইকে ইডলি পরিবেশন করেন। এমতাবস্থায়, মাহিন্দ্রা গ্রুপের চেয়ারম্যান আনন্দ মাহিন্দ্রা তাঁর কাজ দেখে এতটাই মুগ্ধ হয়েছিলেন যে, মাতৃ দিবস উপলক্ষ্যে তিনি একটি সুন্দর নতুন বাড়ি উপহার দেন এই লড়াকু বৃদ্ধাকে।

মূলত, কমলাথালের কাহিনি ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রথম ভাইরাল হয়। এদিকে, এর পরেই তাঁর ব্যবসায় বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মাহিন্দ্রা। এমনকি, সেই সময়ে আনন্দ টুইটের মাধ্যমে কমলাথালের প্রসঙ্গটি সকলের মাঝে উপস্থাপিতও করেন। তবে, বর্তমানে মাহিন্দ্রা গ্রুপের একটি টিমের উপস্থিতিতে “ইডলি আম্মা” নিজেই ফিতে কেটে তাঁর বাড়ির উদ্বোধনের মাধ্যমে সেখানে পুজোও করেন। এমতাবস্থায়, আনন্দ মাহিন্দ্রার এই উপহারের ঘটনা সামনে আসতেই তাঁকে কুর্ণিশ জানিয়েছেন সকলেই।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আনন্দ মাহিন্দ্রা সোশ্যাল মিডিয়ায় অত্যন্ত সক্রিয় থাকেন। পাশাপাশি, তিনি বিভিন্ন সময়ে একাধিক সামাজিক বিষয়ের ওপর নিজের মতামত জানানোর পাশাপাশি তুলে ধরেন সমাজের প্রান্তিক শ্রেণির মানুষদের জীবনযুদ্ধের কথাও। শুধু তাই নয়, তাঁদের দিকে সাহায্যের হাতও বাড়িয়ে দেন তিনি। যার ফলে ক্রমশ অনুরাগীর সংখ্যাও বাড়ছে মাহিন্দ্রার। এই আবহে নতুন করে “ইডলি আম্মা”-র বিষয়টি সামনে আসতে আনন্দ ফের একবার মন জয় করে নিয়েছেন সকলের।

Sayak Panda

সায়ক পন্ডা, মেদিনীপুর কলেজ (অটোনমাস) থেকে মাস কমিউনিকেশন এবং সাংবাদিকতার পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কোর্স করার পর শুরু নিয়মিত লেখালেখি। ২ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলা হান্ট-এর কনটেন্ট রাইটার হিসেবে নিযুক্ত।

সম্পর্কিত খবর

X