তোলাবাজি থেকে অস্ত্র মজুতের অভিযোগ!পুলিশের জালে তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা

Published on:

Published on:

Trinamool Congress leader arrested for alleged possession of weapons from extortion
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : হাবরায় তৃণমূল শিবিরে (Trinamool Congress) বড়সড় ধাক্কা। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত এক প্রভাবশালী তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ভোট পরবর্তী হিংসা, তোলাবাজি ও আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে ধৃত হাবরা ১ নম্বর ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি অজিত সাহা। একই মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁর ভাই সুজিত কুমার সাহাকেও।

তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতা গ্রেফতার

অভিযুক্তদের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে নগদ ২৬ লক্ষ টাকা, ৬১৬টি কার্তুজ, একটি এয়ারগান, একটি এয়ার পিস্তল, ৬১টি গুলির খোল এবং ৫২ বোতল বিদেশি মদ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তর ২৪ পরগনার হাবরা ও মছলন্দপুর এলাকায় রাজনৈতিক উত্তাপ তীব্রতর হয়েছে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় অজিত সাহার বিরুদ্ধে তোলাবাজি ও প্রভাব খাটানোর অভিযোগ উঠছিল। এবার সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই বড় পদক্ষেপ নিল পুলিশ।

মছলন্দপুর এলাকায় ভোট পরবর্তী হিংসা এবং তোলাবাজির অভিযোগ দায়ের হয় অজিত সাহা ও তাঁর ভাই সুজিত কুমার সাহার বিরুদ্ধে। অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ। প্রথমে মছলন্দপুর এলাকা থেকেই অজিত সাহাকে আটক করা হয়। পরে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার ভাই সুজিত কুমারকেও গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশের দাবি, ধৃতদের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগের তদন্ত চলছে। এত বিপুল পরিমাণ কার্তুজ, নগদ টাকা ও বিদেশি মদ কী উদ্দেশ্যে মজুত করা হয়েছিল, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে এলাকায়।উল্লেখ্য, অজিত সাহা দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ অনুগামী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। হাবরা ১ নম্বর ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি থাকার সময় তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি, তোলাবাজি ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল একাধিকবার।

Trinamool Congress leader arrested for alleged possession of weapons from extortion

আরও পড়ুন : তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছিলই, শেষমেশ সব পদ থেকে ইস্তফা কাকলির

তবে সেই সময় রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে তিনি রেহাই পেয়ে যান বলেই অভিযোগ। বর্তমান পরিস্থিতিতে পুরনো অভিযোগগুলিকেই সামনে এনে তদন্ত শুরু হতেই শেষ পর্যন্ত পুলিশের জালে ধরা পড়লেন এই প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা। তদন্ত এগোলে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।