বাংলা হান্ট ডেস্ক : শিক্ষার মানোন্নয়নের পাশাপাশি শিশুদের সুস্থ বিকাশ নিশ্চিত করতে রাজ্য সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয় ও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিকে ঘিরে একাধিক নতুন পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করেছে সরকার (West Bengal Government)। এর ফলে শহর ও গ্রামের স্কুলগুলির মধ্যে পরিকাঠামোগত ব্যবধান অনেকটাই কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।
সরকারি স্কুল নিয়ে বড় ঘোষণা সরকারের (West Bengal Government)
দীর্ঘদিন ধরে মিড ডে মিল প্রকল্পের অন্যতম ভরসা হয়ে কাজ করে চলেছেন রান্নার দায়িত্বে থাকা কর্মীরা। প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক ছাত্রছাত্রীর জন্য খাবার প্রস্তুত ও পরিবেশনের দায়িত্ব পালন করা এই কর্মীদের আর্থিক সহায়তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন ঘোষণায় তাঁদের মাসিক পারিশ্রমিকে অতিরিক্ত ১,০০০ টাকা যুক্ত হবে। শুধু কর্মীদের সুবিধাই নয়, পড়ুয়াদের পুষ্টির দিকেও বাড়তি নজর দেওয়া হয়েছে। সেই লক্ষ্যেই মিড ডে মিল প্রকল্পে মাথাপিছু দৈনিক খাদ্য ব্যয়ের পরিমাণ বৃদ্ধি করে ১০ টাকা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কলকাতা পুর এলাকার স্কুলগুলিতে আরও উন্নত ও পুষ্টিকর খাবার পৌঁছে দিতে ইস্কনের সহযোগিতায় বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও জানানো হয়েছে। বিদ্যালয়গুলির অবকাঠামো উন্নয়নের জন্যও নেওয়া হয়েছে বিস্তৃত কর্মসূচি। অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলিতে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে দিতে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। রান্নার জন্য এলপিজি সংযোগ, প্রয়োজনীয় রান্নার সরঞ্জাম এবং উন্নত বাসনপত্র সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এছাড়া বিদ্যুতের বিকল্প উৎস হিসেবে সৌরশক্তির ব্যবহার বাড়াতে সোলার প্যানেল বসানো হবে। নিরাপদ পানীয় জল নিশ্চিত করতে স্কুলে স্কুলে জল পরিশোধন যন্ত্র স্থাপন করা হবে। গরমের সময় শিশুদের স্বস্তি দিতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও বৈদ্যুতিক পাখা লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন : সুন্দরবনের জন্য বাজেটে বড় উপহার, হাসপাতাল থেকে বাঁধ নির্মাণে হাজার কোটি টাকার পরিকল্পনা
শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পুষ্টিকে একসঙ্গে গুরুত্ব দিয়ে নেওয়া এই পদক্ষেপগুলি আগামী দিনে স্কুলশিক্ষার পরিকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, উন্নত পরিবেশে পাঠদান এবং পুষ্টিকর খাদ্যের ব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।













