বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বিধানসভার অধিবেশনে সোমবার তৃণমূলের অন্দরের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে চলে আসে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) জবাবি ভাষণ দিচ্ছিলেন। সেই সময় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ কয়েকজন সদস্য প্রতিবাদ শুরু করেন। এরপর কুণাল ঘোষ উঠে তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের দাবি জানান। সেই বক্তব্যের পরই বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেন মুখ্যমন্ত্রী।
ঋতব্রতদের নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?
বিধানসভায় বক্তব্য রাখার সময় হঠাৎই প্রতিবাদের মুখে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় সমর্থিত তৃণমূলের কয়েকজন সদস্য ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। কিছুক্ষণ নিজের বক্তব্য থামিয়ে পরিস্থিতি দেখেন মুখ্যমন্ত্রী।
এরপর উঠে দাঁড়ান বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী যে পদক্ষেপগুলি নিয়েছেন, সেগুলিকে তিনি সমর্থন করেন। একই সঙ্গে তাঁর দাবি, যাঁরা তৃণমূলের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে নিজেদের বাঁচানোর চেষ্টা করছেন, তাঁদের কাউকেই ছাড় দেওয়া উচিত নয়। বক্তব্য রাখতে গিয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়েও মন্তব্য করেন তিনি। তবে সেই সময় কুণালের মাইক বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপর তিনি নিজের আসনে বসে পড়েন।
পরে আবার বক্তব্য শুরু করেন মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, ২৮ জন সাংসদের মধ্যে ২০ জন এবং ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ৬২ জন আর তাঁদের সঙ্গে নেই। এই পরিস্থিতির জন্য তাঁদের নিজেদেরই দায়ী বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ বিধানসভায় বিস্ফোরক শুভেন্দু! অনুপ্রবেশ থেকে তৃণমূল, একের পর এক বড় দাবি মুখ্যমন্ত্রীর
এরপর কুণালের বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, অতীতে সন্দীপন সাহা ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ব্যবস্থা নিয়েছিল। তবে তাঁদের বিরুদ্ধে চুরি, দুর্নীতি, ত্রাণের ত্রিপল লুকিয়ে রাখা বা অবৈধ সম্পত্তি তৈরির কোনও তথ্য-প্রমাণ থাকলে তা সরকারের হাতে তুলে দেওয়ার আবেদন জানান তিনি। এমন তথ্য পাওয়া গেলে প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলেও আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী।













