বাংলাহান্ট ডেস্ক: বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে অন্নপূর্ণা যোজনা (Annapurna Yojana)। পূর্ববর্তী সরকারের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের বাদে রাজ্যে অন্নপূর্ণা যোজনা চালু করেছে বর্তমান সরকার। যে প্রকল্প নিয়ে বিতর্কও বাড়ছে দিন দিন। অভিযোগ, ‘যোগ্য’ আবেদনকারী হয়েও অনেকেই বাদ পড়েছেন প্রকল্প থেকে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেলেও অন্নপূর্ণার ৩০০০ টাকা না পাওয়ার দিকে দিকে বিক্ষোভে মহিলারা। নাম প্রকল্পের তালিকাভুক্ত না হওয়ায় প্রকল্পের ফিল্ড ওয়ার্কে যাওয়া পুরসভার অস্থায়ী মহিলা কর্মীদের বাড়িতে হামলা চালানো থেকে হুমকি দেওয়ার মতো অভিযোগ সামনে এসেছে। এই অবস্থায় আয়ুষ্মান ভারতের (Ayushman Bharat) ফিল্ড ওয়ার্কে অনীহা তাঁদের।
নিরাপত্তা ছাড়া আয়ুষ্মান ভারতের ফিল্ড ওয়ার্ক নয় | Ayushman Bharat
অন্নপূর্ণা যোজনায় তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে আয়ুষ্মান ভারতের ফিল্ড ওয়ার্কে যেতে সাহস পাচ্ছেন না পুরসভার অস্থায়ী কর্মীরা। পুরাতন মালদা পুরসভার অস্থায়ী কর্মীদের দাবি, নিরাপত্তা না-পেলে তারা ওই কাজ করবেন না। পুরসভার এগজিকিউটিভ অফিসার আয়ুষ্মান ভারতের ফিল্ড ওয়ার্ক করার নির্দেশিকা জারি করলেও তা মানতে নারাজ পুরসভার ৬১ জন অস্থায়ী মহিলা কর্মী।
তারা কাজ করবেন, তবে যথাযত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হলেই। তাঁদের সাফ কথা, যথাযথ ওয়ার্ক অর্ডার দিতে হবে। পাশাপাশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে৷ তাঁদের দাবি, জেলাশাসকের স্বাক্ষর ও সিলমোহর সম্বলিত ওয়ার্ক অর্ডার প্রকাশ করতে হবে৷ সঙ্গে করতে হবে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা৷ তা না-হলে তারা শুধু অফিস ওয়ার্ক করবেন তারা।
অন্নপূর্ণা যোজনা প্রকল্পে ভালো কাজ করেও কেন তাঁদের এই পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হচ্ছে এই নিয়ে উদ্বিগ্ন চেয়ারম্যানও। এই বিষয়ে পুরাতন মালদা পুরসভার চেয়ারম্যান বিভূতিভূষণ ঘোষ এক সাক্ষাতকারে বলেন, পশ্চিমবঙ্গজুড়ে আয়ুষ্মান ভারতের কাজ শুরু হয়েছে৷ পুরাতন মালদা পুর এলাকাতেও আইসিডিএস কর্মীরা এই কাজ শুরু করে দিয়েছেন৷ রাজ্য সরকারের নির্দেশ দিয়েছে, খুব তাড়াতাড়ি এই কাজ শেষ করতে হবে।

আরও পড়ুন: শিক্ষকদের সারপ্লাস ট্রান্সফার থেকে জাতীয় শিক্ষানীতি চালু! রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্রে আসছে আমূল বদল
তিনি আরও বলেন, লোকবল কম থাকায় পুরসভার এগজিকিউটিভ অফিসার এখানকার ৬১ জন অস্থায়ী মহিলা কর্মীকে এই কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন। তাঁরাও কাজ করতে রাজি। তবে প্রয়োজনীয় ওয়ার্ক অর্ডার ও উপযুক্ত নিরাপত্তার দাবি করেছেন। গোটা বিষয়টি এগজিকিউটিভ অফিসার সহ প্রকল্পের নোডাল অফিসার এবং পুরসভার ফিনান্স অফিসারদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আশা করছেন তিনি।













