আর ফাঁকি নয়! শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে কড়া নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের

Updated on:

Updated on:

Education Minister Jagannath Chattopadhyay on National Education Policy 2020
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্যের কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপকদের কঠোর উপস্থিতি এখন আর ঐচ্ছিক নয়। উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় (Jagannath Chattopadhyay) স্পষ্ট করে দিয়েছেন, শিক্ষকদের নিয়মিত ক্লাস নেওয়াটাও সমানভাবে জরুরি। না হলে শিক্ষার পরিবেশ ফিরবে না সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলিতে।

National Education Polity 2020 প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী

মঙ্গলবার জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ (National Education Policy 2020) বাস্তবায়ন নিয়ে দুই দিনের কর্মশালায় শিক্ষামন্ত্রী এই কথা বলেন। রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের নির্দেশ দিয়েছেন,  নিজেদের কলেজগুলোতে শিক্ষকরা যেন নিয়মিত ক্লাস নেন। কারণ ছাত্রদের ক্যাম্পাসে ফেরানোর আগে শিক্ষকদের উপস্থিতি ঠিক করতে হবে।

উচ্চশিক্ষা দপ্তর শিগগিরই কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে সরেজমিন পরিদর্শন শুরু করবে বলে জানা যাচ্ছে। এক্ষেত্রে পরিকাঠামো থেকে শুরু করে সমস্ত নিয়ম মানা হচ্ছে কি না সেই খবর নেওয়া হবে। কিছু রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিমধ্যে তদন্ত চলছে। কোনো অনিয়ম ধরা পড়লে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ সুদেই বেড়েছে ৪৭৫ কোটি, PM Cares Fund এ পড়ে কত টাকা? প্রকাশ্যে অডিট রিপোর্ট

ট্রেড ইউনিয়ানের নামে শিক্ষার মান কমতে দেওয়া যাবে না!

মন্ত্রী বলেন, কোনো অধ্যাপক ফোরাম বা সংগঠন যদি শিক্ষকদের দায়িত্ব পালনে বাধা দেয়, সরাসরি তাকে জানান। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ট্রেড ইউনিয়নবাদের নামে শিক্ষার মান নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না। উপাচার্যদের নিজেদের প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব নেওয়ার জন্য বলেছেন তিনি। বিকাশ ভবনের হস্তক্ষেপ ছাড়াই কর্মসংস্কৃতি ফেরাতে হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল ও পদাধিকারবলে চ্যান্সেলর আরএন রবি। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন রক্ষার পাশাপাশি পুরনো শিক্ষা পদ্ধতি ফেরানোর কথা বলেন। হিন্দি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নন্দিনী সাহু নতুন প্রতিষ্ঠানের সমস্যার কথায় আগের সরকারের ত্রুটির কথা তুলে ধরেন। এর পাশাপাশি সংশোধনের আশ্বাসও দেন।

আসলে নতুন সরকারের লক্ষ্য পরিষ্কার, জাতীয় শিক্ষানীতি পুরোপুরি মানতে হবে। শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি, স্বচ্ছতা ও মেধার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত, এই তিন ক্ষেত্রেই জোর দেওয়া হবে। বাংলার উচ্চশিক্ষাকে আবার দেশের শীর্ষে নিয়ে যাওয়ার পথে এটিই প্রথম বড় পদক্ষেপ। এগুলি মানা হলেই দেখা যাবে ছাত্র-অভিভাবকরা  সত্যিই ফিরছে।