কাকলির নেতৃত্বে কি নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়? সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘বহুজন NCPI’-র ডাক

Published on:

Published on:

Kakali Ghosh Dastidar forming a new party named Bahujan NCPI
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : নামেই কি লুকিয়ে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত?এনসিপিআই-এর (NCPI) সংসদীয় স্বীকৃতি এখনও অনিশ্চিত, তারই মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘বহুজন এনসিপিআই’-এর প্রচার ঘিরে তুমুল চর্চা শুরু হয়েছে। দলিত, মুসলিম, আদিবাসী, তফসিলি উপজাতি এবং ওবিসি সম্প্রদায়ের মানুষকে সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে পোস্ট করেছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদারের (Kakali Ghosh Dastidar) ছেলে বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার।

নতুন দল গড়ছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার (Kakali Ghosh Dastidar)?

কাকলির ছেলে বৈদ্যনাথের পোস্টে ‘বহুজন এনসিপিআই’-এর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার জন্য সরাসরি আহ্বান জানানো হয়েছে। যোগাযোগের জন্য দেওয়া হয়েছে ফোন নম্বরও। এই পোস্ট প্রকাশ্যে আসার পরই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে—এনসিপিআইয়ের বাইরে কি আরও একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম তৈরি হচ্ছে? কারণ, কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে তৃণমূল থেকে বেরিয়ে আসা ২০ জন লোকসভা সাংসদ ইতিমধ্যেই এনসিপিআইতে যোগ দিয়েছেন। কিন্তু এখনও সংসদে দলটির স্বীকৃতি মেলেনি। ফলে তাঁদের সাংসদ পরিচয়ের পাশে তৃণমূল কংগ্রেসের নামই বহাল রয়েছে।

প্রসঙ্গত, বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরই কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে তাঁরা আলাদা অবস্থান নেন এবং পরবর্তীতে এনসিপিআইয়ের সঙ্গে যুক্ত হন। সেই দলই এখনও সংসদীয় স্বীকৃতির অপেক্ষায়। তার মধ্যেই ‘বহুজন এনসিপিআই’ নামটি সামনে আসায় জল্পনা আরও বেড়েছে।

যদিও কাকলি ঘোষ দস্তিদার শিবিরের বক্তব্য, নতুন কোনও রাজনৈতিক দল তৈরি হচ্ছে না। ‘বহুজন এনসিপিআই’কে মূল দলের একটি শাখা বা সামাজিক উদ্যোগ হিসেবেই ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের মানুষের জন্য বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কাজ করাই এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য বলে জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, কোনও সাংসদ বা তাঁর সঙ্গে যুক্ত কোনও ট্রাস্ট সামাজিক কাজ করতেই পারেন। কিন্তু সেই উদ্যোগের নামের সঙ্গে ‘এনসিপিআই’ যুক্ত হওয়া এবং প্রকাশ্যে সদস্য সংগ্রহের আহ্বান জানানোয় বিষয়টি আদেও সামাজিক কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে কিনা সেই নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

Kakali Ghosh Dastidar forming a new party named Bahujan NCPI

আরও পড়ুন : ‘সব সুবিধা সবার জন্য নয়’! অন্নপূর্ণা যোজনার বিক্ষোভ নিয়ে বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ

এই জল্পনার মাঝে কাকলি ঘোষ দস্তিদার জানিয়েছেন, “আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া সেল থেকেই এটা পোস্ট করা হয়েছে। নতুন দলে আমরা ২০ জন সাংসদ গত অধিবেশনেও কাজ করেছি এবং আগামদিনেও কাজ করব। ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়া সবাইকে নিয়ে চলবে। বিশেষ করে যারা সমাজে পিছিয়ে পড়া শ্রেণি, দলিত সম্প্রদায়, দলিত, মহিলা ও অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল মানুষদের নিয়ে চলবে।” আগামী দিনে এই উদ্যোগ কেবল সামাজিক সংগঠন হিসেবেই থাকে, নাকি আলাদা রাজনৈতিক পরিচয় নেয়—সেদিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।