বাংলা হান্ট ডেস্কঃ আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন। সোমবার দিনক্ষণ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। তবে এখনও তৃণমূলের (Trinamool Congress) জোড়াফুল প্রতীক কে পাবে সেই নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। ফলে প্রতীক (TMC Symbol) সংকটের মাঝেই উপভোটের তোড়জোড় শুরু করেছে মমতা শিবির ও ঋতব্রত শিবির।
মমতা না ঋতব্রত, কোন শিবির পেতে পারে প্রতীক? | (Trinamool Congress)
সাধারণত ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হলে যে কোনও রাজনৈতিক দল প্রার্থী বাছাই, প্রচার সহ নানা কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। তবে বর্তমানে তৃণমূলের দুই শিবিরের কাছেই প্রতীক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মমতাপন্থী কালীঘাট তৃণমূল নাকি ঋতব্রতপন্থী নতুন তৃণমূল, কে জোড়াফুল প্রতীক পাবে? বাংলার রাজনৈতিক মহলে এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ ‘যে যা চাইবে তাই খাবে’! বাগেশ্বর বাবার আমিষ বার্তা নিয়ে এবার মুখ খুললেন দিলীপ
ইতিমধ্যেই প্রতীকের দাবিদার হয়ে কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে ঋতব্রত শিবির। তাঁদের দাবি, মূল দলের অধিকাংশ বিধায়ক তাঁদের সঙ্গে রয়েছে। ফলে তাঁরাই ‘আসল তৃণমূল’। সেই সঙ্গেই পারিবারিক দল হিসেবে পরিচিতি ভাঙার কথাও বলা হয়েছে। দিল্লি গিয়ে কমিশনের ফুল বেঞ্চের কাছে যাবতীয় আইনি নথি ও রেজোলিউশন জমা করেছেন তাঁরা।
এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন কোন তৃণমূলকে প্রতীক দেবে সেই নিয়ে জোর জল্পনা চলছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মূলত তিনটি সম্ভাবনা রয়েছে। প্রথম, কালীঘাট তৃণমূলের কাছেই প্রতীক থাকতে পারে। দ্বিতীয়, ঋতব্রতপন্থী নতুন তৃণমূলকে প্রতীক দেওয়া হতে পারে। তৃতীয়, কোনও শিবিরকেই প্রতীক না দিয়ে ডিসলভ করতে পারে নির্বাচন কমিশন।
এই বিষয়ে বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “কোন তৃণমূল প্রতীক পাবে না পাবে সেটা নির্বাচন কমিশনের ব্যাপার। আদালত অবধি গিয়েছে। আদালত দেখবে।“

এদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের দাবি, দেশে এই ধরণের পরিস্থিতি আগে কখনও তৈরি হয়নি। সমাধান কোন উপায়ে বেরোবে, সেটাও পরিষ্কার নয়। ফলত বর্তমানে বেশ চাপে রয়েছে তৃণমূলের দুই শিবির।
প্রসঙ্গত, বিধানসভা ভোটে ভরাডুবির পরেই তৃণমূল দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে গিয়েছে। বর্তমানে মমতা শিবির ও ঋতব্রত শিবিরের মধ্যে প্রতীক নিয়ে দড়ি টানাটানি চলছে। শেষ অবধি জোড়াফুল কে পায় সেটাই দেখার।













