শ্রীরামপুরে মমতার মেগা কর্মসূচি নিয়ে টানাপড়েন! কী বলবে হাইকোর্ট? তাকিয়ে কালীঘাট তৃণমূল

Published on:

Published on:

TMC moves to Calcutta High Court for Mamata Banerjee Serampore rally permission
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বিধানসভা ভোটে বিপর্যয়ের পর মূলত কলকাতাতেই বিভিন্ন কর্মসূচি করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এই প্রথমবার কলকাতার বাইরে কোনও দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে চলেছেন তিনি। আগামী ১১ সেপ্টেম্বর হুগলি জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের (Trinamool Congress) তরফে শ্রীরামপুরে একটি প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে। সেই মিছিলে হাঁটার কথা আছে মমতার। এবার এই জলই গড়াল কলকাতা হাইকোর্ট অবধি।

পুলিশি অনুমতি না মেলায় হাইকোর্টে তৃণমূল | (Mamata Banerjee)

হুগলি জেলা তৃণমূল সূত্রে খবর, আগামী ১১ সেপ্টেম্বর শ্রীরামপুরের মাহেশ থেকে শ্রীরামপুর আদালত অবধি মিছিল হওয়ার কথা। পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা ও বিজেপির অত্যাচারের বিরুদ্ধে এই কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে। তবে এখনও জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে এই কর্মসূচির কোনও আনুষ্ঠানিক অনুমতি মেলেনি। তাই পুলিশি অনুমতি না পাওয়ার জেরে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে জোড়াফুল শিবির।

আরও পড়ুনঃ মেধাবী পড়ুয়াদের জন্য স্বামী বিবেকানন্দ স্কলারশিপ! কারা টাকা পাবেন? আবেদনের যোগ্যতা জানুন

১১ সেপ্টেম্বরের এই কর্মসূচির অনুমতি কেন দেওয়া হচ্ছে না? এই প্রশ্ন তুলে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন চুঁচুড়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার। সোমবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছেন। চলতি সপ্তাহেই শুনানি হতে পারে। এদিকে ইতিমধ্যেই এই বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। মুখ খুলেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

তৃণমূলের এই কর্মসূচি ও আইনি পদক্ষেপ প্রসঙ্গে শমীক বলেন, রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মিছিল করতেই পারেন মমতা। তাঁর কথায়, “উনি মিছিল করতেই পারেন। হাঁটা-চলা শরীরের জন্য ভালো। সুস্থ থাকুন, কাজের মধ্যে থাকুন। এপার-ওপার ছোটাছুটি করুন। দিল্লিতে গিয়ে ধর্না দিন। মঙ্গলগ্রহ অভিযান করুন। ওনার যা ইচ্ছা, সেটাই করবেন।”

Mamata Banerjee

বিধানসভা ভোটে পরাজয়ের পর কলকাতার বুকে একাধিক কর্মসূচিতে যোগ দিলেও জেলার কোনও কর্মসূচিতে মমতাকে দেখা যায়নি। মূলত ফেসবুক লাইভের মাধ্যমেই দলের নেতা, কর্মী ও জনগণের উদ্দেশে বার্তা পৌঁছে দেন তিনি। ফলে সেদিক থেকে দেখলে ভোটের ফলপ্রকাশের পর এই প্রথম কলকাতার বাইরে কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তাঁর পা মেলানোর কথা। শেষমেশ কী হয় সেটার জন্য ১০ তারিখের শুনানির দিকে তাকিয়ে তৃণমূল শিবির।