বাংলা হান্ট ডেস্কঃ অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Yojana) মাধ্যমে রাজ্যের মহিলাদের মাসে মাসে ৩ হাজার টাকা করে দিচ্ছে বিজেপি সরকার। গত জুন ও জুলাই মাসে সেই টাকা পেয়েছিলেন গলসির ৩২ বছর বয়সী তরুণী অনন্যা আশ। তবে আচমকাই সেই প্রকল্প বার্ধক্য ভাতায় (Bardhakya Bhata) রূপান্তরিত হয়েছে। ফলে গত সেপ্টেম্বর মাসে তাঁর অ্যাকাউন্টে তিন হাজারের পরিবর্তে মাত্র দেড় হাজার টাকা জমা পড়েছে। ইতিমধ্যেই এই নিয়ে স্থানীয় বিডিও অফিসের দ্বারস্থ হয়েছেন অনন্যা।
অন্নপূর্ণা যোজনা রাতারাতি বদলে গেল বার্ধক্য ভাতায় | (Annapurna Yojana)
গলসি ২ ব্লকের কুরকুবা গ্রামের বাসিন্দা অনন্যা। তাঁর দাবি, অন্নপূর্ণা যোজনায় আবেদন করার পর দু’মাস তিন হাজার টাকা করে পেয়েছিলেন। তবে সেপ্টেম্বর মাসে তাঁর অ্যাকাউন্টে মাত্র দেড় হাজার টাকা আসে। এই নিয়ে ব্যাঙ্কে খোঁজ করলে জানতে পারেন, বার্ধক্য ভাতা হিসেবে সেই টাকা জমা পড়েছে।
আরও পড়ুনঃ বকেয়া সম্পত্তি কর মেটানোর দারুণ সুযোগ! সুদ ও জরিমানা সম্পূর্ণ মকুবের ঘোষণা হাওড়া পুরসভার
অনন্যার দাবি, তিনি বার্ধক্য ভাতায় আবেদনই করেননি। তাহলে কীভাবে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা বন্ধ হয়ে গেল এবং তাঁর অ্যাকাউন্টে বার্ধক্য ভাতা ঢুকল? এই সমস্যার সমাধান চেয়ে গত সোমবারই গলসি ২ ব্লকের বিডিওর দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। নিজের আধার কার্ড, ভোটার কার্ড ও ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্টের প্রতিলিপি জমা করে এসেছেন।
এই বিষয়ে গলসির বিধায়ক রাজু পাত্রর দাবি, এই ঘটনায় রাজ্যের কোনও গাফিলতি নেই। তাঁর অভিযোগ, “তৃণমূলের পা চাটা স্থানীয় স্তরের আধিকারিকদের ভুলের কারণেই রাজ্যের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।“
স্থানীয় ব্লক প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে রাজু বলেন, আবেদনকারীর দেওয়া তথ্য ভালোভাবে যাচাই করেননি ব্লক আধিকারিকরা। ওই মহিলার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী তাঁর অন্নপূর্ণা যোজনা পাওয়ার কথা। সেখানে বার্ধক্য ভাতায় তাঁর নাম নথিভুক্ত করা হয়েছে। আধিকারিকদের গাফিলতির কারণেই এমনটা হয়েছে।

রাজ্যে পালাবদলের পরেই তৃণমূল আমলের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের জায়গায় অন্নপূর্ণা যোজনা চালু করেছে বিজেপি সরকার। এবার সেই প্রকল্পের এক উপভোক্তার অ্যাকাউন্টেই বার্ধক্য ভাতা জমা পড়ছে বলে অভিযোগ। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর ব্লকস্তরেও জোর চর্চা শুরু হয়েছে।













