বাংলা হান্ট নিউজ ডেস্কঃ নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে (New Zealand vs India) অ্যাওয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে রীতিমতো দাপট দেখাচ্ছে শ্রেয়স আইয়ারের (Shreyas Iyer) নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দল (Indian Cricket Team)। রীতিমতো দাপট দেখিয়ে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে তারা আপাতত এগিয়ে গিয়েছে ০-২ ফলে। বড় কোনও অঘটন না ঘটলে এই সিরিজেও জয় পেতে চলেছে ভারতীয় দল। কিন্তু তা সত্ত্বেও দুটি বিষয় নিয়ে চিন্তা কাটছে না টিম ম্যানেজমেন্টের।
প্রথমত একটি বিষয় এখন সকলের কাছেই এখন পরিষ্কার। পিচে যখন ব্যাট ও বলের মধ্যে সমানে সমানে লড়াইয়ের সুযোগ থাকে, তখনই ভারতীয় টপ অর্ডার ব্যাটাররা সমস্যার মুখোমুখি হন। এখানে সমস্যাটি কেবল একটি ম্যাচ হেরে যাওয়ার নয়, কিন্তু পিচে বোলারদের জন্য সাহায্য থাকলে কেন নিজেদের স্বাভাবিক ক্রিকেট খেলতে পারছেন না সঞ্জু স্যামসন, অভিষেক শর্মা, বৈভব সূর্যবংশীরা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

কিছুদিন আগে আয়ারল্যান্ড এবং ইংল্যান্ডের মাটিতেও একই সমস্যার মুখোমুখি হয়েছিল ভারতীয় দল। সেখানে ভারতীয় ব্যাটারদের প্রায়শই দিশেহারা মনে হয়েছে। দেশে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তারা এমন সব ব্যাটিং বান্ধব পিচ পেয়ে ২২০-২৪০ স্কোর তুলছে। ব্যাটারদের দেখে মনে হয়েছে যে তারা ভুল করতেই পারেন না। কিন্তু আজ আবারও একটি ভারসাম্যপূর্ণ পিচে খেলতে নেমে সেই একই পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি ঘটছে।
আরও পড়ুন: সূর্যকুমারের বড় রেকর্ড ভেঙেছেন ঈশান কিষাণ! নিউজিল্যান্ড ভারতীয় দলের জার্সিতে গড়বেন নতুন কীর্তি
ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড সিরিজে তাই এই উদ্বেগজনক প্রবণতায় চিন্তা বাড়াচ্ছে ভক্তদের। প্রশ্ন উঠছে যে ভারতীয় দল কি ব্যাটিং-সহায়ক কন্ডিশনের সঙ্গে এতটাই অভ্যস্ত হয়ে পড়ছে যে, পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া এবং কঠিন ম্যাচগুলো জেতার সক্ষমতা হারিয়ে ফেলছে। এদিন তিলক ভার্মা ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ না হলে হারের মুখই দেখতে হতো ভারতকে। এই বিষয়টি ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের চিন্তা বাড়াচ্ছে।
আরও পড়ুন: কোহলিদের ক্লাবে ঢুকেও মাটিতে পা রাখছেন সঞ্জু স্যামসন! ম্যাচের সেরা হয়েও প্রশংসা এই সতীর্থের
তার পাশাপাশি ভুবনেশ্বর কুমারের প্রত্যাবর্তন আশাপ্রদ হয়নি ভারতীয় দলের জন্য। দুই ম্যাচে তিনি ৮ ওভার বোলিং করে ৯৯ রান খরচ করেছেন। নিজের টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে একটিও নো বল না করা ভুবি দলে ফেরার পর দুটি নো বল করেছেন দলে ফেরার পর। দুই ম্যাচ মিলিয়ে তার ঝুলিতে এসেছে কেবল একটি উইকেট। দ্রুত ছন্দে না ফিরলে এই সিরিজের পর ফের একবার বাতিলের খাতায় চলে যেতে পারেন ভুবনেশ্বর।














