দিওয়ালির আগেই ঢুকবে অন্নপূর্ণা যোজনার নভেম্বর কিস্তি! দিনক্ষণ জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

Published on:

Published on:

Suvendu Adhikari announces date for Annapurna Yojana funds to be released in November

বাংলা হান্ট ডেস্ক : উৎসবের মুখে রাজ্যের বিপুল সংখ্যক মানুষের হাতে আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দিতে একসঙ্গে একাধিক পদক্ষেপের কথা জানাল নবান্ন। সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের উপভোক্তাদের পাশাপাশি আবাস যোজনার সুবিধাভোগীদের জন্যও রয়েছে সুখবর। বুধবার রাতে নবান্নে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, দীপাবলির আগেই বিভিন্ন খাতে প্রাপ্য অর্থ মেটানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

কবে হাতে পাবেন টাকা? জানালেন মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)

রাজ্য সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রায় ৮৪ লক্ষ বার্ধক্য ও দিব্যাঙ্গ ভাতা প্রাপকের পাশাপাশি ৩ লক্ষ লোকপ্রসার শিল্পীর অ্যাকাউন্টেও টাকা পাঠানো হবে। এই তালিকায় সবচেয়ে বড় অংশ জুড়ে রয়েছে অন্নপূর্ণা যোজনা। প্রায় ১ কোটি ৬৫ লক্ষ উপভোক্তার কাছে এই প্রকল্পের অর্থ পৌঁছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। অন্নপূর্ণা যোজনায় প্রত্যেকে মাসে ৩ হাজার টাকা পান।

Suvendu Adhikari announces date for Annapurna Yojana funds to be released in November

সাধারণ নিয়মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে এই অর্থ দেওয়া হলেও এবার উৎসবের দিনক্ষণ মাথায় রেখে আগেই টাকা পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কারণ, ৮ নভেম্বর কালীপুজো। যুবসমাজের জন্য নির্বাচনী সংকল্পপত্রে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজও এগোচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। স্নাতক এবং স্নাতক নন, এমন বেকার যুবক-যুবতীদের কথা মাথায় রেখে তৈরি হচ্ছে ‘ভরসা প্রকল্প’। তবে এই প্রকল্পে মাসে কত টাকা দেওয়া হবে, কারা আবেদন করতে পারবেন কিংবা কবে থেকে সুবিধা মিলবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

আরও পড়ুন : মাসের বেতনের আগেই পাওয়া যাবে অগ্রিম টাকা! সরকারি কর্মীদের জন্য অগ্রিম বেতন প্রকল্প চালু রাজ্যের

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, প্রথমে মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাবটি পেশ করা হবে। সেখানে চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়ার পরই প্রকল্প চালুর বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। যুবসাথী প্রকল্পের মতোই এর মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। আবাস উপভোক্তাদের জন্যও রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা। আগামী ১৩ তারিখ পশ্চিমবঙ্গ আবাস প্রকল্পের দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ দেওয়ার কর্মসূচি রয়েছে। এর ফলে প্রায় ৭ লক্ষ ২০ হাজার উপভোক্তা উপকৃত হবেন। এই পর্যায়ে মোট ৪,২০০ কোটি টাকা খরচের পরিকল্পনা করেছে রাজ্য সরকার।

স্বাস্থ্য পরিষেবার প্রসঙ্গেও বেশ কিছু তথ্য তুলে ধরেন শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, পশ্চিমবঙ্গের ৪ কোটি ২০ লক্ষ নাগরিকের হাতে আয়ুষ্মান ভারত কার্ড পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। চলতি মাসের ৪ তারিখ পর্যন্ত এই কার্ডের মাধ্যমে ২ লক্ষ ২০ হাজার মানুষ চিকিৎসা পেয়েছেন। এমনকি রাজ্যের বাইরে বসবাসকারী ৬ হাজার পশ্চিমবঙ্গবাসীও এই প্রকল্পের আওতায় চিকিৎসার সুবিধা নিয়েছেন। চিকিৎসার খরচের ৬০ শতাংশ বহন করেছে কেন্দ্র এবং বাকি ৪০ শতাংশ দিয়েছে রাজ্য। এই বাবদ রাজ্য সরকারের খরচ হয়েছে ২৩ কোটি টাকা।