বাংলা হান্ট ডেস্ক : রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর কর্মসংস্থান এবং বেকার যুবক-যুবতীদের আর্থিক সুরক্ষা নিয়ে একাধিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল সরকার। এবার সেই প্রতিশ্রুতি কার্যকর করার পথে এগোচ্ছে প্রশাসন।কর্মহীন যুবসমাজের জন্য নতুন প্রকল্পের ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।
ভরসা প্রকল্প নিয়ে কী জানালেন মুখ্যমন্ত্রী(Suvendu Adhikari)?
উচ্চশিক্ষিত হোক কিংবা স্নাতক স্তরের পড়াশোনা শেষ করতে পারেননি, এমন কর্মহীন যুবসমাজের জন্য আসছে নতুন ‘ভরসা’ প্রকল্প। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না হওয়া পর্যন্ত বেকারদের আর্থিকভাবে সাহায্য করতে চায় রাজ্য। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী ২৩ নভেম্বর রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘ভরসা’ প্রকল্পের প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য তোলা হবে।

মন্ত্রিসভার সম্মতি মিললে নতুন বছরের জানুয়ারি মাস থেকেই আবেদন গ্রহণের কাজ শুরু হওয়ার কথা। স্নাতক উত্তীর্ণদের পাশাপাশি স্নাতক স্তরের পড়াশোনা শেষ না করা যুবক-যুবতীরাও আবেদন করতে পারবেন। চাকরির অপেক্ষায় থাকা বৃহত্তর একটি অংশকে এই সহায়তার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
আরও পড়ুন : শহরের কোলাহল ছেড়ে চা-বাগানের মাঝে ছুটি কাটাতে দীপাবলির ছুটিতে চলে যান উত্তরবঙ্গের এই গ্রামে
প্রসঙ্গত, এর আগে বেকারদের মাসিক আর্থিক সাহায্য দেওয়ার জন্য যুবসাথী প্রকল্প চালু করেছিল তৃণমূল সরকার। সেই প্রকল্পের মাধ্যমে বহু উপভোক্তা প্রতি মাসে ১,৫০০ টাকা করে পেতেন। কিন্তু রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর পুরনো প্রকল্পের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছিল। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বেকারদের জন্য বিকল্প কোনও ব্যবস্থা করা হবে কি না, সেই প্রশ্নও উঠেছিল। মুখ্যমন্ত্রী অবশ্য শুরু থেকেই কর্মহীনদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে এসেছেন। এবার ‘ভরসা’ প্রকল্পের মাধ্যমে সেই উদ্যোগকে নির্দিষ্ট কাঠামো দেওয়ার প্রস্তুতি শুরু হল।
তবে কারা এই সুবিধা পাওয়ার যোগ্য হবেন, আবেদনের জন্য বয়সের ঊর্ধ্বসীমা কত, কী কী শংসাপত্র জমা দিতে হবে, এমনকী আবেদন জমা দেওয়ার পদ্ধতিই বা কী হবে—এসব প্রশ্নের উত্তর মেলেনি। মাসিক সহায়তার পরিমাণ সম্পর্কেও বিস্তারিত ঘোষণা করা হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পরবর্তী সময়ে সরকারের পক্ষ থেকেই প্রকল্পের সম্পূর্ণ নির্দেশিকা প্রকাশ করা হবে।












