বাংলাহান্ট ডেস্ক : অশান্ত বাংলাদেশে সুপরিকল্পিতভাবে পাকিস্তান, ভারত (India-Pakistan) বিরোধী কার্যকলাপের ঘুঁটি সাজাচ্ছে। গোপন সূত্রে দিল্লির কাছে খবর এসেছে, একাধিক গোপন কার্যকলাপ ও কূটনৈতিক অপব্যবহার করে বাংলাদেশের মাটিতে ক্রমেই নিজেদের শক্তি বৃদ্ধি করছে পাকিস্তানের দূতাবাস।
বাংলাদেশকে সাথে নিয়ে পাকিস্তানের কুনজর ভারতে (India-Pakistan)
সূত্রের খবর, ঢাকায় নিজেদের সক্রিয়তা বৃদ্ধি করতে মুখ্য ভূমিকা নিয়েছেন পাক হাই কমিশনের প্রেস সচিব ফাসি উলহা খান। বাংলাদেশের (Bangladesh) ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এরশাদুল বারী মামুন এবং আইনি উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছেন পাক হাই কমিশনের প্রেস সচিব।
আরোও পড়ুন : লক্ষ্য ছিল সরকারি চাকরি! ৩৫ বার পরীক্ষা দিয়েও মেলেনি সাফল্য, শেষে যেভাবে IAS হলেন বিজয়….
এমনকি আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সন্ত্রাসী অভিযোগে যারা যারা কারারুদ্ধ ছিলেন তাদের মুক্তির পিছনে এই পাক কর্তার কতটা হাত রয়েছে তা নিয়েও শুরু হয়ে গিয়েছে পর্যালোচনা। কূটনৈতিক সূত্রে খবর, বাংলাদেশের আইনি উপদেষ্টা আসিফ নজরুলেকে নিজের ‘প্রয়োজনের’ কথা জানিয়ে জঙ্গি কার্যকলাপের সাথে যুক্তদের কারামুক্ত করেছেন হাই কমিশনের প্রেস সচিব ফাসি উলহা খান।
আরোও পড়ুন : ছুটি বিতর্কে পুড়ল কপাল! মমতার ক্ষোভের পরেই আধিকারিকের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ পুরসভার
এমনকি আরও খবর, আইএসআই কর্তারা মৌলবাদী গোষ্ঠী তৈরি করে ফেলেছেন জামায়াত এবং তার ছাত্র শাখা ইসলামি ছাত্র শিবিরের মধ্যে থেকেই। এই গোষ্ঠী আগামী দিনে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হয়ে উঠবে পাকিস্তানের জন্য।ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহীর মতো বিশ্ববিদ্যালয়গুলির অনেক পড়ুয়াকেই মৌলবাদে দীক্ষিত করতে সচেষ্ট হয়েছে ইসলামি ছাত্র শিবির।
সূত্রের খবর, বর্তমানে বেশ সক্রিয় ভূমিকায় রয়েছেন বাংলাদেশে পাকিস্তানের (Pakistan) হাই কমিশনার সৈয়দ আহমেদ মারুফ। এমনকি তাঁকে সর্বোচ্চ ভিআইপি প্রোটোকলও দিয়েছে ইউনূস সরকার। গত ২৯ জানুয়ারি রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপচারিত সারেন মারুফ।
আবার ৫ ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার এবং অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামানের উপস্থিতিতে একটি সভায় যোগদান করেন পাকিস্তানের হাই কমিশনার সৈয়দ আহমেদ মারুফ। এমনকি কক্সবাজার ‘ভ্রমণে’ গিয়েও সেখানকার রোহিঙ্গাদের একটি প্রতিনিধি দলের সাথে দীর্ঘ বৈঠকও করেন তিনি।