মর্মান্তিক! হাওড়ায় থার্মোকলের কারখানায় বিধ্বংসী আগুনে পুড়ে মৃত্যু পাশের কারখানার শ্রমিকের

Published On:

বাংলাহান্ট ডেস্ক : ফের আগুন (Fire Accident) আরো এক কারখানায়। শনিবার দুপুরে হাওড়ার সাঁকরাইলে একটি থার্মোকল কারখানায় লাগে বিধ্বংসী আগুন। সেই অগ্নিকাণ্ডের জেরেই মৃত্যু হয়েছে এক শ্রমিকের। যে থার্মোকলের কারখানায় আগুন লাগে, তার পাশেই আরেকটি কারখানায় কাজ করতে এসেছিলেন তিনি। অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় ওই শ্রমিকের। জানা গিয়েছে মৃত শ্রমিকের নাম আকাশ হাজরা। শনি বিকেলে এ নিয়ে তীব্র ক্ষোভে ফেটে পড়েন অন্য শ্রমিকেরা। মৃত শ্রমিকের দেহ আটকে রেখেও চলে বিক্ষোভ।

কারখানায় আগুন (Fire Accident) লেগে মৃত শ্রমিক

যেমনটা জানা গিয়েছে, শনিবার দুপুর তিনটে নাগাদ হাওড়ার সাঁকরাইলের আলমপুর মোড়ে একটি থার্মোকলের গোডাউনে লাগে আগুন (Fire Accident)। ওই গোডাউনে দাহ্য বস্তু থাকায় মুহূর্তের মধ্যেই বিধ্বংসী আকার ধারণ করে অগ্নিকাণ্ড। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় সর্বত্র। অগ্নিকাণ্ডের (Fire Accident) খবর পেতেই তিনটি দমকল ইঞ্জিন তড়িঘড়ি পৌঁছায় ঘটনাস্থলে। পরে আরো তিনটি ইঞ্জিন যায়।

A labor died in a fire accident in howrah factory

দেহ আটকে বিক্ষোভ: মোট ছটি দমকলের ইঞ্জিন মিলে দীর্ঘ ক্ষণ ধরে চেষ্টার পর অবশেষে নিয়ন্ত্রণে আসে আগুন। কিন্তু এই বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে (Fire Accident) আটকা পড়ে মৃত্যু হয় এক শ্রমিকের। জানা গিয়েছে, মৃত শ্রমিক আকাশ হাজরার বাড়ি তুলসীবেড়িয়া এলাকায়। আগুন লাগার থার্মোকলের কারখানার পাশেই অপর একটি কারখানায় কাজ করতে এসেছিলেন তিনি। কিন্তু কীভাবে তিনি অগ্নিকাণ্ডের মধ্যে আটকা পড়লেন তা এখনও স্পষ্ট নয়। মৃত শ্রমিকের দেহ আটকে রেখেও দীর্ঘক্ষণ ধরে বিক্ষোভ চালায় অন্য শ্রমিকেরা।

আরো পড়ুন : ওয়াকফ-বিতর্কে নীরব থাকাই হল কাল! রাহুল-প্রিয়াঙ্কার ওপর রেগে লাল মুসলিমরা

কীভাবে লাগল আগুন: কীভাবে আগুন (Fire Accident) লাগে তার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, শর্ট সার্কিট থেকেই লাগে আগুন। এদিকে দমকল সূত্রে খবর, কারখানায় নাকি আগুন (Fire Accident) নেভানোর জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থাই ছিল না। ফলত দমকলের মোট ৬ টি ইঞ্জিন নিয়ে এসেও প্রায় ২ ঘন্টা ধরে চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

আরো পড়ুন : দুঃসময়ের বন্ধু! প্রধানমন্ত্রী মোদীকে সর্বোচ্চ সম্মান প্রদান শ্রীলঙ্কার, অস্বস্তি বাড়ল চিনের

ঠিক কী কারণে আগুন লেগেছে, শর্ট সার্কিট নাকি নেপথ্যে ছিল অন্য কোনো কারণ, তা এখনও স্পষ্ট নয় তবে দমকল আধিকারিক আর কে সাহা এ বিষয়ে বলেন, দমকলের মোট ৬ টি ইঞ্জিন এনে আগুন নেভানো হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ জানতে ফরেন্সিক দল তদন্ত শুরু করবে। তারপরেই আগুন লাগার আসল কারণ সামনে আসবে।

Niranjana Nag

নীরাজনা নাগ, বাংলা হান্টের কনটেন্ট রাইটার। নারুলা ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি থেকে স্নাতক পাশ করার পর সাংবাদিকতার সফর শুরু। বিগত ৫ বছর ধরে সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত।

সম্পর্কিত খবর

X