টাইমলাইনপশ্চিমবঙ্গরাজনীতি

প্রেসিডেন্সি জেলে ঢুকেই হাউমাউ করা কান্না অর্পিতার, অভিমানে খেলেন না খাবারও

বাংলাহান্ট ডেস্ক : ইডি হেফাজত থেকে ছাড়া পাওয়ার পর এসএসসি কাণ্ডে (SSC Scam) গ্রেফতার হওয়া অর্পিতাকে মুখোপাধ্যায় (Arpita Mukherjee) রাখা হয়েছে আলিপুর মহিলা সংশোধনাগারের (Alipur Woman Correctional Home) ২ নম্বর ঘরে। এতদিন যে সমস্ত বন্দিরা ভালো ব্যবহার করত, এবং যারা সারদার (Sarada Scam) সেকেন্ড ইন কমান্ড দেবযানী মুখোপাধ্যায়ের (Debjani Mukherjee) কাছে বিউটিশিয়ানের শিক্ষা নিত এবং টেলারিংয়ের কাজ করত, তাদেরই একমাত্র বাড়তি সুবিধা দিয়ে জেলের এই বিশেষ ঘরে রাখা হত। সূত্রের খবর, সেখানেই রাখা হয়েছে অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কেও।

জেলের একটি বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে, অর্পিতা কাল রাতে জেলে ঢুকে বেশ কিছুক্ষণ কান্নাকাটি (Crying) করেন। রাতে খাবার (Dinner) দেওয়া হলেও তা খাননি তিনি। অবশ্য জানা যাচ্ছে, আজ সকালে অবশ্য যথারীতি চা-বিস্কুট খেয়েছেন।

অপরদিকে পার্থ চট্টোপাধ্যায় আসছেন। এটা শুনেই প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে ‘স্বাগত’ জানাবার জন্য তৎপরতা বেড়ে যায় প্রেসিডেন্সি জেলে। ব্লিচিং পাউডার দিয়ে পরিষ্কার করা হয় বিভিন্ন এলাকা। প্রথমে হাসপাতালের ৫ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে যাওয়া হয় পার্থকে। এই ওয়ার্ডে মূলত ভিভিআইপিরা থাকেন। সেখান থেকে রাতের দিকে ২ নম্বর ওয়ার্ডের ২২ নম্বর কেবিনে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। পার্থ চট্টোপাধ্যায় মিনারেল ওয়াটার চান। তাঁর এই আবদার রাখেন জেল কর্তৃপক্ষ। পার্থর জন্য গতকাল এক লিটারের এক ক্রেট মিনারেল ওয়াটারও আনা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। প্রথমে মনে করা হয়েছিল, তাঁকে হয়ত মেঝেতেই কম্বল পেতে শুতে হবে বাকি বন্দিদের মতো। কিন্তু পরে দেখা যায় লোহার ফোল্ডিং খাটের ওপর একটি তোষক বিছিয়ে শুতে দেওয়া হয় তাঁকে। তাঁর জন্য আনা হয়েছে দুটি বালিশও। একটি মাথার, অন্যটি পাশ বালিশ।

একদম স্বাভাবিক বিশ্রামেই রাত কাটিয়েছেন পার্থ। রুটি, ডাল, সবজি খেয়েছেন। তবে পরিমাণে খুবই অল্প। দুটি কম্বল দেওয়া হয়েছিল তাঁকে, তা পেতেই শুয়েছেন। সময় মতো নিয়ম করে ওষুধ খেয়েছেন বলে জেল সূত্রে খবর।

Related Articles

Back to top button