টাইমলাইনবিনোদন

অশ্লীল দৃশ‍্য দেখিয়ে ভারতীয় সেনাকে অপমানের অভিযোগ! গ্রেফতারির খাঁড়া নাচছে একতার মাথার উপরে

বাংলাহান্ট ডেস্ক: একতা কাপুর (Ekta Kapoor) এবং তাঁর টিভি সিরিয়াল হিন্দি বিনোদন জগতের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে থেকেছে। সময় এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে ছোটপর্দার বাইরে বেরিয়ে ডিজিটাল মাধ‍্যমেও পা রেখেছেন তিনি। নিজস্ব ওয়েব প্ল‍্যাটফর্ম তৈরি করেছেন একতা, অল্ট বালাজি। তবে তাতে যে সমস্ত ওয়েব সিরিজ সম্প্রচারিত হয় তা নিয়ে বহুবার আপত্তি উঠেছে দর্শক মহলে। তবে ‘ট্রিপল এক্স’ (XXX Web Series) ওয়েব সিরিজে সমস্ত সীমা অতিক্রম করে গিয়েছেন একতা।

ভারতীয় সেনাবাহিনীকে অপমানের অভিযোগ উঠেছে প্রযোজকের বিরুদ্ধে। একতা ও তাঁর মা শোভা কাপুরের বিরুদ্ধে বিহারের বেগুসরাইয়ের এক আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে। দু বছর আগে এই ওয়েব সিরিজ নিয়ে শোরগোল পড়েছিল বিভিন্ন মহলে। ট্রিপল এক্স সিজন ২ এর একটি পর্বে দেখানো দৃশ‍্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিলেন প্রাক্তন সেনা জওয়ান শম্ভু কুমার।


ওই মামলায় গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে একতা ও শোভা কাপুরকে সমন পাঠিয়েছিল আদালত। এবার জারি করা হয়েছে গ্রেফতারি পরোয়ানা। কিন্তু কী এমন ছিল ওই পর্বে যার জন‍্য এত শোরগোল? সেনাবাহিনীকে অপমানের অভিযোগও বা কেন উঠল একতার বিরুদ্ধে?

বিতর্কিত পর্বে দেখানো হয়েছিল, একজন সেনাবাহিনীর জওয়ানের অনুপস্থিতিতে তাঁর স্ত্রী পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েছেন। একটি বিশেষ দৃশ‍্যে দেখা হয় স্বামীর সেনাবাহিনীর উর্দি নিজের প্রেমিকের গায়ে চাপিয়ে তাঁর সঙ্গে সঙ্গমে লিপ্ত হচ্ছেন ওই মহিলা। ওই দৃশ‍্য ভারতীয় সেনাবাহিনীর জওয়ান ও তাদের স্ত্রীদের প্রতি অবমাননাকর বলে অভিযোগ উঠেছিল।

নেটদুনিয়ায় তীব্র কটুক্তির সম্মুখীন হতে হয়েছিল একতাকে। পেয়েছিলেন ধর্ষণ ও খুনের হুমকিও। অবশেষে ক্ষমা চাইতে বাধ‍্য হন তিনি। ওয়েব সিরিজের যে দৃশ‍্যের জন‍্য এত বিতর্ক সেই দৃশ‍্যটিকেই ডিলিট করে দিয়েছিলেন তিনি। উপরন্তু প্রযোজক আরও জানিয়েছিলেন, তিনি ও তাঁর টিম ভারতীয় সেনার প্রতি যথেষ্ট শ্রদ্ধাশীল। যদি কারওর অনুভূতিতে কোনওরকম আঘাত লেগে থাকে তাহলে তিনি ক্ষমাপ্রার্থী।


একতার কথায়, “একজন ব‍্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান হিসাবে আমরা ভারতীয় সেনার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমাদের সুরক্ষার জন‍্য তাঁদের অবদান সত‍্যিই অনস্বীকার্য। বিতর্কিত দৃশ‍্যটি আমরা ইতিমধ‍্যেই ডিলিট করে দিয়েছি। আমাদের তরফে অ্যাকশন নেওয়া হয়েছে। কারওর অনুভূতিতে আঘাত লেগে থাকলে আমরা ক্ষমাপ্রার্থী। কিন্তু ধর্ষণ ও খুনের হুমকি দেওয়াকে আমরা সমর্থন করিনা।”

Related Articles