বাংলা হান্ট ডেস্কঃ আগামীকাল ৩০ সেপ্টেম্বর ভবানীপুর ব্যাটেলের শেষ দিন, কালই হবে অগ্নিপরীক্ষা। কাল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবেন ভবানীপুরের বাসিন্দারা। তবে ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করতে হবে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত। ওই দিনই জানা যাবে যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে হারাতে পারলেন, না বিজেপি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চেয়ার কাড়তে পারল।
রাজ্যের একমাত্র উপনির্বাচন কেন্দ্র তথা হাইভোল্টেজ আসনে আইনশৃঙ্খলা নিয়ে কোনোরকম আপোষ করতে চায় না কমিশন। পাশাপাশি কমিশন এবং প্রশাসনের তরফ থেকে সবাইকে বুথমুখো করার জন্য থাকবে বিশেষ ব্যবস্থা। পুরসভার তরফ থেকে একদিকে যেমন জমা জল সরানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, তেমনই ভোটারদের বুথে পৌঁছে দেওয়ার জন্য থাকবে নৌকাও।
আর এরমধ্যে নির্বাচন কমিশন এও জানিয়ে দিয়েছে যে, বুথের ২০০ মিটারের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি থাকবে। এছাড়াও প্রতিটি বুথে ওয়েব কাস্টিংয়ের বন্দোবস্ত থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন। ভবানীপুর কেন্দ্র সহ বাকি কেন্দ্র গুলিতে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে কমিশনের পক্ষ থেকে। ভবানীপুরে ১৫ কোম্পানির কেন্দ্রীয় বাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছে কমিশনের পক্ষ থেকে। এছাড়াও থাকবে প্রচুর পুলিশ।
কমিশনের মতে ২৮৭টি বুথ রয়েছে ভবানীপুর কেন্দ্রে। প্রতিটি বুথে থাকবে ৪ জন করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান। এলাকায় টহল দেবে কুইক রেসপন্স টিম। বুথের বাইরের এলাকার দায়িত্বে থাকবে কলকাতা পুলিশ। ৩৮টি জায়গায় থাকবে পুলিশ পিকেটিং। পাশাপাশি ২৩টি মোবাইল ভ্যানও থাকবে মজুত।
উল্লেখ্য, প্রচারের শেষ দিনে ভবনীপুর তৃনমূল-বিজেপির সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের উপর হামলার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে, দিলীপ ঘোষের নিরাপত্তারক্ষীদের বন্দুক উঁচিয়ে ভয় দেখাতে দেখা যায়। এই মামলায় কমিশনে অভিযোগ করেছিল বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে গোটা ভবানীপুর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারির আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু গোটা এলাকা না হলেও বুথ গুলিতে ১৪৪ ফহারা জারি করল কমিশন।