বাংলাহান্ট ডেস্ক : এবার আর শুধু হাঁস-মুরগি নয়, বার্ড ফ্লু (Bird Flue) ভাইরাসের (এইচ৫এন১) সন্ধান বেশ কিছু বিড়ালের শরীরেও। মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh) ছিন্দওয়ারা জেলায় বেশ কিছু বিড়ালের শরীরে এইচ৫এন১ ভাইরাসের সন্ধান পেয়েছেন কেন্দ্রীয় সরকারের পশুপালন দফতর এবং ‘ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হাই সিকিওরিটি অ্যানিম্যাল ডিজিসেস’-এর বিজ্ঞানীরা।
এবার বার্ড ফ্লু (Bird Flue) আক্রান্ত বিড়াল
নাগপুরের গোরেওয়াড়া প্রাণী উদ্ধারকেন্দ্রে গত ডিসেম্বর মাসে আচমকা মৃত্যু হয় তিনটি বাঘ এবং একটি চিতাবাঘের। মৃত পশুদের নমুনা পরীক্ষা করে জানা যায় তিনটি বাঘ এবং একটি চিতাবাঘ সকলেই আক্রান্ত হয়েছিল বার্ড ফ্লুয়ে। মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh) ছিন্দওয়ারা জেলার পাশেই অবস্থিত মহারাষ্ট্র।
আরোও পড়ুন : হতে চান লাখপতি? সস্তার এই ৫ টি স্টকে বিনিয়োগ করলেই হবে টাকার বৃষ্টি
তাই এই দুটি ঘটনার মধ্যে কোনও রকম লিংক রয়েছে কি না সেই দিকটিও খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।বিশেষজ্ঞদের মতে, খাবার বা দুধের মাধ্যমে বার্ড ফ্লুর (Bird Flue) ভাইরাস প্রবেশ করে থাকতে পারে বিড়ালের রক্তে। কোনও ডেয়ারি বা ফার্ম থেকে আসা খাবার ও দুধের মাধ্যমে বার্ড ফ্লুয়ে আক্রান্ত হতে পারে বিড়ালগুলি। গবেষকরা জানাচ্ছেন, বিড়ালের শরীরে এর আগে বার্ড ফ্লুর ভাইরাসের সন্ধান পাওয়া যায়নি।
আরোও পড়ুন : চিন-আমেরিকার লড়াইয়ে শুরু নতুন আতঙ্ক! বড়সড় ক্ষতির সম্ভাবনা ভারতের
মধ্যপ্রদেশে যে বিড়ালগুলি মারা গেছে তাদের রক্তের নমুনা পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে ভাইরাসের ২৭টি বিয়োজন রয়েছে তাদের শরীরে। মূলত জ্বর, ক্ষুধামন্দ, ঝিমিয়ে পড়ার মতো উপসর্গ দেখা গিয়েছিল বিড়ালগুলির মধ্যে। অন্যদিকে, বার্ড ফ্লু নিয়ে অযথা চিন্তার কারণ নেই বলে কিছুদিন আগেই জানায় পশ্চিমবঙ্গের প্রাণী সম্পদ উন্নয়ন দপ্তর।
প্রাণী সম্পদ উন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ জানিয়েছিলেন, অন্ধ্রপ্রদেশে বার্ড ফ্লু নিয়ে চিন্তার কারণ নেই বাংলার। রাজ্য সরকার সর্বদা সতর্ক রয়েছে। এলওপি মেনে নজরদারি চালানো হচ্ছে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি খামারে। এখন আমাদের রাজ্যে উৎপাদিত হয় মুরগির মাংস। অনেক ক্ষেত্রে অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে ডিম এ রাজ্যে আসলেও, সেদ্ধ করে খাওয়া হয় বলে ডিম থেকে ভয়ের কারণ নেই।