ত্রাণে যা আসবে ঝেড়ে ফাঁক করে দেবে তৃণমূল! জলপাইগুড়ি দুর্যোগ নিয়ে ফের বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ লোকসভা ভোটের আবহে একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করে সংবাদের শিরোনামে উঠে আসছেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। দিন কয়েক আগেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে বলা তাঁর কিছু কথা নিয়ে তোলপাড় হয়েছিল রাজ্য রাজনীতি। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের এক বিতর্কিত মন্তব্য করে বসলেন বর্ধমান দুর্গাপুরের বিজেপি (BJP) প্রার্থী।

   

জলপাইগুড়ির প্রাকৃতিক দুর্যোগে (Jalpaiguri Disaster) ইতিমধ্যেই রাজনীতির ছোঁয়া লেগে গিয়েছে। সোমবার এই ঝড় প্রসঙ্গে দিলীপ বলেন, ‘উত্তরবঙ্গে বিজেপির ঝড় হয়েছে! ওখানে তো প্রথম দফায় ভোট হবে’। সেই মন্তব্যের পর ২৪ ঘণ্টাও কাটেনি। ফের বিজেপি নেতার কথায় উঠে এল জলপাইগুড়ির প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের প্রসঙ্গ।

মঙ্গলবার সকালে বর্ধমানের বাদামতলায় ‘চায়ে পে চর্চা’ কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। সেখানে জলপাইগুড়ির দুর্যোগ প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ‘ঝড় হলে তো তৃণমূলের পোয়া বারো। ত্রাণে যা আসবে, সেটা ঝেড়ে ফাঁক করে দেবে। ঝড়, বন্যা হোক ওরা এসব চায়। তাহলেই তো কামাই হবে’।

আরও পড়ুনঃ বিজেপি প্রার্থীকে নিয়ে বিস্ফোরক পোস্ট, বিতর্ক হতেই এক্স হ্যান্ডেল হ্যাকের দাবি শতাব্দীর!

এখানেই না থেমে বিজেপি প্রার্থী বলেন, ‘সরকারের দায়িত্ব হল ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের মনোবল বাড়ানো। ক্ষতিপূরণ দিয়ে ফের তাঁদের সাধারণ জীবনে ফিরিয়ে আনা। আমরা, বিরোধীরা মানুষের পাশে থাকি। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো কথায় কথায় আমরা টাকার ফিরিস্তি দিই না’।

প্রসঙ্গত, জলপাইগুড়ির প্রাকৃতিক বিপর্যয় প্রথম নয়, দিন কয়েক আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে দিলীপ ঘোষ যে মন্তব্য করেছিলেন তা নিয়েও বিস্তর বিতর্ক হয়েছিল। সেই মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করার পাশাপাশি দিলীপের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগও করেছিল জোড়াফুল শিবির।

dilip ghosh filthy remark on mamata banerjee

এরপর কমিশনের তরফ থেকে বিজেপি নেতা কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়। সেই নোটিশের জবাব পাঠানোর পর বিজেপি নেতাকে সেন্সর করে নির্বাচন কমিশন। একইসঙ্গে তাঁকে সতর্ক করা হয়েছে বলেও খবর। তবে এরপরেও দিলীপ ঘোষ যে নিজের অবস্থানে অনড় রয়েছেন তা তাঁর সাম্প্রতিক বক্তব্য দেখেই পরিষ্কার।

Sneha Paul
Sneha Paul

স্নেহা পাল, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তরের পর সাংবাদিকতা শুরু। বিগত প্রায় ২ বছর ধরে বাংলা হান্ট-এর কনটেন্ট রাইটার হিসেবে নিযুক্ত।

সম্পর্কিত খবর