বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বঙ্গ বিজেপির (BJP) হেভিওয়েট নেতাদের মধ্যে একজন হলেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। প্রাক্তন সাংসদ, সাবেক রাজ্য সভাপতি তিনি। বর্তমানে কোনও পদে না থাকলেও ‘দাপট’ এখনও একই রয়েছে। এবার যেমন তিনি পরিষ্কার বললেন, ‘আমার কাউকে দরকার পড়ে না। আমি নিজের ক্ষমতায় রাজনীতি করি!’
নাম না করে বিজেপির একাংশকে নিশানা দিলীপের (Dilip Ghosh)?
বর্তমানে ‘চায়ে পে চর্চা’ কর্মসূচি নিয়ে রাজ্যের নানান জেলায় যাচ্ছেন মেদিনীপুরের প্রাক্তন সাংসদ। মঙ্গলবার বর্ধমানের কাটোয়ায় গিয়েছিলেন। এবার নদিয়ার কৃষ্ণনগরে ‘চায়ে পে চর্চা’ কর্মসূচিতে যান তিনি। সেখান থেকেই বড় হুঙ্কার দেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি।
দিলীপ (Dilip Ghosh) বলেন, ‘আমার কাউকে দরকার পড়ে না। আমি নিজের ক্ষমতায় রাজনীতি করি!’ এখানেই শেষ নয়! নাম না করে দলের একাংশকেও নিশানা করেন বিজেপি নেতা। তাঁর স্পষ্ট প্রশ্ন, ‘দিলীপ ঘোষকে কে কোণঠাসা করবে?’
আরও পড়ুনঃ মানুষ খুনের থেকেও বড় অপরাধ! ৪৫৪ লক্ষ টাকা জরিমানা করল সুপ্রিম কোর্ট! কোন মামলায়?
এদিন সরাসরি কারোর নাম নেননি তিনি। তবে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের অনুমান, নাম না করেই বিজেপির ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী তথা বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীদেরই বার্তা দিয়েছেন মেদিনীপুরের প্রাক্তন সাংসদ।
ইফতার পার্টি নিয়েও বিস্ফোরক মন্তব্য করেন দিলীপ। কারোর নাম না করেই তিনি বলেন, ‘কেউ কেউ কখনও চন্দন আবার কখনও টুপি পড়ে মেকি মুসলিম সেজে ইফতার পার্টিতে যোগদান করছে! এটা মুসলিমদের জন্য লজ্জা’।
উল্লেখ্য, আগামী বছর রাজ্যে বিধানসভা ভোট (WB Assembly Elections)। ইতিমধ্যেই এই নিয়ে ময়দানে নেমে পড়েছে পদ্ম শিবির। সম্প্রতি বাংলার ২৫টি সাংগঠনিক জেলার সভাপতিদের নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি। এখনও ১৮টি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি নির্বাচন বাকি রয়েছে। সেই সঙ্গেই পরবর্তী রাজ্য সভাপতির নাম ঘোষণাও বাকি।
এদিকে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী হওয়ার পর বিজেপির রাজ্য সভাপতির পদ থেকে সুকান্ত মজুমদারের সরে দাঁড়ানো একপ্রকার নিশ্চিত। তাঁর সম্ভাব্য উত্তরসূরি কে হবেন তা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে কৌতূহল তুঙ্গে। এই আবহে ফের ‘ফর্মে’ ফিরেছেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তাহলে কি ফের তাঁর হাতেই উঠবে বঙ্গ বিজেপির রাশ? এই নিয়ে বিস্তর জল্পনা কল্পনা শুরু হলেও সঠিক সময়েই মিলবে এর উত্তর।