মোথাবাড়ি হিংসায় ধৃতদের মধ্যে সবাই হিন্দু? যা বললেন BJP নেতা তরুণজ্যোতি… তুঙ্গে শোরগোল

Last Updated:

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ মোথাবাড়ির অশান্তির (Mothabari Violence) ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতি মুহূর্তে আসছে নতুন নতুন আপডেট। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকার এবং পুলিশ প্রশাসনকে একযোগে কাঠগড়ায় তুলেছে বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব। আজই মোথাবাড়ি যেতে গিয়ে বাধা পেয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তারপরেই পুলিশের বিমাতৃসুলভ আচরণ নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন তিনি। এবার এই মোথাবাড়ি কান্ডে একই সুর বিজেপি নেতা তথা আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারির গলাতেও। একটি তালিকা প্রকাশ করে তরুণজ্যোতি এদিন অভিযোগ করেছেন মোথাবাড়ির হিংসার ঘটনায় শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয় সম্প্রদায়কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মোথাবাড়ির হিংসা (Mothabari Violence) নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করলেন তরুণজ্যোতি

মোথাবাড়ির ঘটনায় (Mothabari Violence) পুলিশের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়ে একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘মালদার মোথাবাড়ির  সাম্প্রতিক ঘটনা আরও একবার প্রমাণ করেছে যে পশ্চিমবঙ্গের বিচার ব্যবস্থা একতরফা হয়ে গিয়েছে। পুলিশ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে বলে দাবি করা হলেও, সেই তালিকায় আমি তথাকথিত ‘দুধ দেওয়া গরুদের’ দেখতে পাচ্ছিনা। মনে হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই বিশেষ জাতের গরুর দুধ পান করেন।’ তারপরেই  তরুণজ্যোতির প্রশ্ন, ‘সাধারণ হিন্দুরা কেন তাদের আগ্রাসনের শিকার হবেন?’

মালদহের মোথাবাড়িতে (Mothabari Violence) বৃহস্পতিবার যে অশান্তি তৈরী হয়েছে তা সাজানো? এদিন একজন স্থানীয় ব্যক্তির বক্তব্য তুলে ধরে এই জল্পনাও উস্কে দিয়েছেন তরুণজ্যোতি। আসলে ওই ব্যক্তির দাবি মসজিদে কেউ কিছুই ছোঁড়েনি সাম্প্রদায়িক হানাহানি তৈরী করার জন্য কেউ এসব ইচ্ছাকৃত ভাবে এসব রটিয়ে দিচ্ছে।

আরও পড়ুন: বন্ধ ইন্টারনেট! থমথমে মোথাবাড়িতে ঢোকার আগেই বাধা, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বিস্ফোরক সুকান্ত

দীর্ঘ পোস্টে বিজেপি নেতা এদিন অ্যাডভোকেট রিঙ্কি চ্যাটার্জির প্রোফাইল থেকে পাওয়া একটি তালিকা তুলে ধরে দাবি করেছেন, স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, হিন্দু সম্প্রদায় পক্ষপাতদুষ্ট নীতির শিকার হয়েছে। যারা ফেসবুক লাইভে প্রকাশ্যে দোকান ভাংচুর করেছে এবং হিংসাত্মক হামলা চালিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। কারণ তারা ক্ষমতাসীন দলের বিশেষ ভোট ব্যাঙ্কের অন্তর্ভুক্ত।’

বিজেপি নেতার আরও সংযোজন,’ এই ঘটনাটি আরও একবার হাইলাইট করে যে পশ্চিমবঙ্গের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি নিরপেক্ষতা বজায় রাখার পরিবর্তে একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের প্রতি অগ্রাধিকারমূলক মনোভাব নিয়ে কাজ করছে। এমনকী হিন্দুদের ওপর হামলা হলেও, অপরাধীদের বদলে ভুক্তভোগীদেরই গ্রেফতার করা হচ্ছে।’ এরপরেই তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ‘প্রশাসন কি তাহলে হিন্দুদের দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক হিসেবে দেখে? বৈষম্যমূলক এই  অবস্থান কি গণতান্ত্রিক এবং ন্যায়সঙ্গত? আর এটাই কি পশ্চিমবঙ্গের নতুন বাস্তবতা?’

Anita Dutta

অনিতা দত্ত, বাংলা হান্টের কনটেন্ট রাইটার। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। বিগত ৪ বছরের বেশি সময় ধরে সাংবাদিকতা পেশার সাথে যুক্ত।

সম্পর্কিত খবর

X