বাংলা হান্ট ডেস্কঃ লোকসভা ভোটে (Loksabha Vote) যখন গোটা দেশ শান্তিপূর্ণভাবে গণতন্ত্রের উৎসবে অংশগ্রহণ করছে সেই আবহেও রেহাই পেল না বাংলা। লোকসভা ভোটের মাঝেই লাগাতার ঝরছে রক্ত, রক্তাক্ত পশ্চিমবঙ্গ। ভোটের প্রথম দফায় থেকে দফায় দফায় সংঘর্ষ, বোমাবাজির চিত্র উঠে এসেছে উত্তরবঙ্গ থেকে। আর এবার দ্বিতীয় দফার ভোট শেষ হতেই হিংসার অভিযোগ খাস কলকাতায় (Kolkata)। আনন্দপুরে বিজেপির (BJP) নেত্রী সরস্বতী সরকারকে কোপানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের (Trinamool Congress) বিরুদ্ধে।
কী জানা যাচ্ছে? সূত্রের খবর, আনন্দপুরে ভোট প্রচারে পোস্টার, ব্যানার লাগানোর সময় হামলা চালানো হয় বিজেপির দক্ষিণ কলকাতা সাংগঠনিক জেলার মণ্ডল সভানেত্রী সরস্বতী সরকারের ওপর। অভিযোগ শনিবার রাতে, আনন্দপুরের চৌবাগা এলাকায় পোস্টার লাগাতে বেরিয়েছিলেন ওই বিজেপি নেত্রী। সঙ্গেই ছিলেন দলের অন্যান্য নেতা-কর্মীরা। সব ঠিকঠাক চললেও হঠাৎই তৃণমূলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাদের ওপর চড়াও হন বলে অভিযোগ।
তৃণমূলের কর্মীরা বিজেপির পোস্টার, ব্যানার ছিঁড়ে দেয় বলে অভিযোগ গেরুয়া শিবিরের। এরপর বিজেপি কর্মীরা বাধা দিতে গেলে কসবা মণ্ডলের সভানেত্রী সরস্বতী সরকারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয় বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছেন ওই মহিলা নেত্রী। ঘটনায় আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীও। খাস কলকাতায় এভাবে বিরোধীদের ওপর হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য।
এদিন এক্স হ্যান্ডেলে অমিত মালব্য লিখেছেন, “পশ্চিমবঙ্গে কোনও মহিলা সুরক্ষিত নন। গতকাল রাতে কসবায় বিজেপির মণ্ডল সভানেত্রীর উপর হামলা চালানো হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ। ভাবুন, যদি কলকাতাই সুরক্ষিত না থাকে, তবে সন্দেশখালি কীভাবে সুরক্ষিত হবে? এসব নৃশংসতা এই অত্যাচারের জবাব মানুষ দেবে। ”
https://twitter.com/amitmalviya/status/1784452280412262612
আরও পড়ুন:‘হ্যাঁ অবৈধ নিয়োগ হয়েছে…’, অবশেষে আদালতে নিয়োগ দুর্নীতি স্বীকার করে নিল রাজ্য সরকার
হামলায় ঘটনায় ইতিমধ্যেই আনন্দপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন আক্রান্ত বিজেপি নেত্রী। পুলিশ অভিযোগ খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। তবে এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি বলেই জানা গিয়েছে। রবিবার আক্রান্ত নেত্রীকে দেখতে যান দক্ষিণ কলকাতার বিজেপি প্রার্থী দেবশ্রী চৌধুরী। সকালেই আক্রান্ত প্রার্থীকে নিয়ে আনন্দপুর থানায় যান দেবশ্রী চৌধুরী। পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগে আনন্দপুর থানায় ধর্নায় বসেছেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা